ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নওগাঁ-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে তিনজনের জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তিন উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত ফলাফলের প্রাথমিক বিশ্লেষণ এই তথ্য নিশ্চিত করছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিয়ম অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী তার আসনে প্রদত্ত মোট ভোটের আট শতাংশের কম পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়। এবার সংসদ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য প্রত্যেক প্রার্থীকে নির্বাচন কমিশনের অনুকূলে ৫০ হাজার টাকা জামানত হিসেবে জমা দিতে হয়েছে।
প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, এই আট শতাংশ ভোট পেতে ব্যর্থ হওয়া তিন প্রার্থীর মধ্যে রয়েছেন বিএনপির তিনবারের সাবেক সংসদ সদস্য ডা. ছালেক চৌধুরী। এবার দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মোটরসাইকেল প্রতীকে নির্বাচন করে ১৮ হাজার ৫ ভোট পেয়েছেন। এছাড়াও, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আব্দুল হক শাহ্ (হাতপাখা) ৯ হাজার ৮ ভোট এবং জাতীয় পার্টির প্রার্থী আকবর আলী কালু (লাঙ্গল) ৪ হাজার ২০৫ ভোট পেয়েছেন। এই তিন প্রার্থীই নির্ধারিত আট শতাংশ ভোট পেতে ব্যর্থ হওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।
উল্লেখ্য, নওগাঁ-১ আসনের মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ৪ লাখ ৭৪ হাজার ৬৫ জন। ১৬৬টি কেন্দ্রে প্রদত্ত মোট ভোটের পরিমাণ ছিল ৩ লাখ ৬৭ হাজার ৫১১টি। এই বিপুল সংখ্যক ভোটের মধ্যে উল্লেখিত তিন প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট তাদের জামানত বাঁচানোর জন্য যথেষ্ট নয়।
অন্যদিকে, এই আসনে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছেন বিএনপির প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান (ধানের শীষ)। তিনি ১ লাখ ৭৩ হাজার ৮৬৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যক্ষ মাহবুবুল আলম (দাঁড়িপাল্লা), যিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৫৩ হাজার ৮১৬ ভোট।
—
রিপোর্টারের নাম 




















