টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম দুই ম্যাচে আশানুরূপ ফল না পাওয়ায় সুপার এইটের লড়াইয়ে টিকে থাকা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছিল ইংল্যান্ডের। নেপালের বিপক্ষে নাটকীয় ৪ রানের জয় এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে হারের পর স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচটি ছিল তাদের জন্য বাঁচা-মরার লড়াই। তবে কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে স্কটল্যান্ডকে ৫ উইকেটে হারিয়ে সেই শঙ্কা দূর করেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। এই গুরুত্বপূর্ণ জয়ে বিশ্বকাপ মিশনে ভালোভাবে টিকে রইল হ্যারি ব্রুকসের দল।
টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে স্কটল্যান্ড নির্ধারিত ২০ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে ১৫২ রান সংগ্রহ করে। দলের পক্ষে রিচি বেরিংটন ৩২ বলে ৪৮ রানের এক দারুণ ইনিংস খেলেন, যদিও তিনি হাফসেঞ্চুরি থেকে বঞ্চিত হন। এছাড়া ওপেনার মাইকেল জোনস ২০ বলে ৩৩ রান করে দলকে ভালো শুরু এনে দেন। ইংল্যান্ডের হয়ে সফলতম বোলার ছিলেন আদিল রশিদ, তিনি ৩৬ রানের বিনিময়ে তুলে নেন ৩টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট।
১৫৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ইংল্যান্ডের শুরুটা মোটেও ভালো ছিল না। দ্রুতই ফিল সল্ট ও জস বাটলারের উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে তারা। প্রথম চার ওভারে মাত্র ২১ রানে ২ উইকেট হারানোর পর রানের চাকাও ছিল ধীরগতির, কোনো বাউন্ডারির দেখা মেলেনি। তবে এরপর জ্যাকব বেথেল ও টম ব্যান্টনের ৬৬ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটিতে খেলায় ফেরে ইংল্যান্ড। বেথেল ২৮ বলে ৩২ রান করে বিদায় নিলেও, একপ্রান্ত আগলে রেখেছিলেন টম ব্যান্টন। আগের দুই ম্যাচে মাত্র ৪ রান করা এই ব্যাটার এদিন জ্বলে ওঠেন, ৪১ বলে ৬৩ রানের এক অপরাজিত দাপুটে ইনিংস খেলে দলকে জয় এনে দেন। স্যাম কারেনের সঙ্গে ৪৬ এবং উইল জ্যাকসের সঙ্গে ২৩ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে তিনি ইংল্যান্ডের জয় নিশ্চিত করেন।
এই জয়ের ফলে ‘সি’ গ্রুপের পয়েন্ট তালিকায় ইংল্যান্ড এখন ৩ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে। ২ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে সবার উপরে রয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। স্কটল্যান্ড ৩ ম্যাচে ২ পয়েন্ট নিয়ে আছে তৃতীয় স্থানে। এই জয় সুপার এইটে ওঠার লড়াইয়ে ইংল্যান্ডকে দারুণভাবে এগিয়ে রাখল।
সংক্ষিপ্ত স্কোরবোর্ড:
স্কটল্যান্ড: ১৯.৪ ওভারে ১৫২/১০ (বেরিংটন ৪৯, জোনস ৩৩; আদিল রশিদ ৩/৩৬)।
ইংল্যান্ড: ১৮.২ ওভারে ১৫৫/৫ (ব্যান্টন ৬৩, বেথেল ৩২; লিয়াস্ক ১/৩৩)।
ফল: ইংল্যান্ড ৫ উইকেটে জয়ী।
ম্যাচসেরা: টম ব্যান্টন।
রিপোর্টারের নাম 























