ইউক্রেন যুদ্ধের অবসানে নতুন করে আলোচনার পরিবেশ গড়ে তুলতে প্রস্তুত তুরস্ক। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেছেন, ইস্তাম্বুলে ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে চতুর্থ দফা শান্তি আলোচনা এবং সম্ভাব্য নেতাদের সম্মেলন আয়োজন করতে আঙ্কারা প্রস্তুত। তুরস্কের সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড এ খবর জানিয়েছে।
শনিবার ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত টিআরটি ওয়ার্ল্ড ফোরাম-এর উদ্বোধনী অধিবেশনে ফিদান বলেন, আমরা আবারও নিশ্চিত করছি, চতুর্থ দফা আলোচনা এবং একটি নেতৃবৃন্দের সম্মেলন আয়োজনের জন্য ইস্তাম্বুল প্রস্তুত।
তিনি বলেন, উভয় পক্ষের সঙ্গে গঠনমূলক সংলাপ বজায় রাখা দেশ হিসেবে তুরস্ক অতীতে তিন দফা আলোচনার আয়োজন করেছে এবং বন্দি বিনিময়েও ভূমিকা রেখেছে। ইস্তাম্বুল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আমরা রাশিয়া ও ইউক্রেনকে আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনতে পেরেছি।
ফিদান জোর দিয়ে বলেন, বহুপাক্ষিকতা ও আঞ্চলিক দায়িত্ববোধের ভিত্তিতে তুরস্কের পদক্ষেপ ভবিষ্যতের কূটনৈতিক কাঠামো নির্ধারণে ভূমিকা রাখবে। আমরা সংলাপ ও কূটনীতিকেই আমাদের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি হিসেবে ধরে রেখেছি।
তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, আঙ্কারা এমন সব অংশীদারের সঙ্গে কাজ করবে যারা একটি ন্যায়সঙ্গত, ভারসাম্যপূর্ণ ও প্রতিনিধিত্বশীল আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার পক্ষে। আজকের আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাকে এক কথায় বর্ণনা করতে গেলে তা হবে ‘অনিশ্চয়তা’। বৈশ্বিক রাজনীতির পুরোনো রূপরেখা এখন বদলে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, এমন সময়ে আমাদের প্রধান দায়িত্ব হলো ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধির জন্য সংহতি ও সহযোগিতা বজায় রাখা। এজন্য আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাকে নতুন করে সাজাতে হবে বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতার মাধ্যমে।
গাজা ইস্যুতে তুরস্কের অবস্থান তুলে ধরে ফিদান বলেন, প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ানের নেতৃত্বে তুরস্ক শুরু থেকেই ‘গাজায় গণহত্যা’ বন্ধে সক্রিয় ছিল। ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি) ও আরব লিগের যৌথ সংযোগ কমিটি গঠনের মাধ্যমে আঙ্কারা বিষয়টি আন্তর্জাতিক অগ্রাধিকারে আনতে সক্ষম হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 























