ঢাকা ০৫:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ইরান সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষক নয় বরং বড় শিকার: মাসুদ পেজেশকিয়ান

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৬:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান দাবি করেছেন, তার দেশ বিশ্বজুড়ে চলমান সন্ত্রাসবাদের অন্যতম প্রধান ভুক্তভোগী। বৃহস্পতিবার ইরানের একটি প্রদেশ সফরকালে তিনি এই মন্তব্য করেন। সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান বলেন, ১৯৭৯ সালের ঐতিহাসিক ইসলামী বিপ্লবের পর থেকে ইরান ধারাবাহিকভাবে সন্ত্রাসী হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। এসব হামলায় রাষ্ট্রের বিভিন্ন পর্যায়ের অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাকে প্রাণ হারাতে হয়েছে, যা প্রমাণ করে যে ইরান সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষক নয় বরং এর অন্যতম শিকার।

পেজেশকিয়ানের এই বক্তব্যকে আন্তর্জাতিক রাজনীতির প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক এক অভিযোগের পাল্টা জবাব হিসেবে এটিকে দেখা হচ্ছে। ট্রাম্প ইরানকে বিশ্ব ‘সন্ত্রাসবাদের বৃহত্তম পৃষ্ঠপোষক’ হিসেবে অভিযুক্ত করেছিলেন। ট্রাম্পের সেই কঠোর অবস্থানের বিপরীতে নিজের দেশের অবস্থান পরিষ্কার করতে গিয়ে পেজেশকিয়ান বিপ্লব-পরবর্তী ইরানের ক্ষয়ক্ষতির চিত্র তুলে ধরেন।

তিনি মূলত বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে ইরানকে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করা একটি রাষ্ট্র হিসেবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছেন, যেখানে বারবার অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক সন্ত্রাসী হামলায় জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বইয়ের প্রতি তরুণ প্রজন্মকে আগ্রহী করে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ইরান সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষক নয় বরং বড় শিকার: মাসুদ পেজেশকিয়ান

আপডেট সময় : ০৩:৩৬:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান দাবি করেছেন, তার দেশ বিশ্বজুড়ে চলমান সন্ত্রাসবাদের অন্যতম প্রধান ভুক্তভোগী। বৃহস্পতিবার ইরানের একটি প্রদেশ সফরকালে তিনি এই মন্তব্য করেন। সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান বলেন, ১৯৭৯ সালের ঐতিহাসিক ইসলামী বিপ্লবের পর থেকে ইরান ধারাবাহিকভাবে সন্ত্রাসী হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। এসব হামলায় রাষ্ট্রের বিভিন্ন পর্যায়ের অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাকে প্রাণ হারাতে হয়েছে, যা প্রমাণ করে যে ইরান সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষক নয় বরং এর অন্যতম শিকার।

পেজেশকিয়ানের এই বক্তব্যকে আন্তর্জাতিক রাজনীতির প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক এক অভিযোগের পাল্টা জবাব হিসেবে এটিকে দেখা হচ্ছে। ট্রাম্প ইরানকে বিশ্ব ‘সন্ত্রাসবাদের বৃহত্তম পৃষ্ঠপোষক’ হিসেবে অভিযুক্ত করেছিলেন। ট্রাম্পের সেই কঠোর অবস্থানের বিপরীতে নিজের দেশের অবস্থান পরিষ্কার করতে গিয়ে পেজেশকিয়ান বিপ্লব-পরবর্তী ইরানের ক্ষয়ক্ষতির চিত্র তুলে ধরেন।

তিনি মূলত বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে ইরানকে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করা একটি রাষ্ট্র হিসেবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছেন, যেখানে বারবার অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক সন্ত্রাসী হামলায় জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।