ওমানের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন দফার পরোক্ষ আলোচনা শুরু হওয়ার প্রেক্ষাপটে ভূমধ্যসাগরের ক্রিট নৌঘাঁটি ত্যাগ করেছে বিশ্বের বৃহত্তম মার্কিন বিমানবাহী রণতরি ‘ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড’। বৃহস্পতিবার সকালে রণতরিটিকে ঘাঁটি থেকে বিদায় নিতে দেখা যায়।
গত সোমবার থেকে রণতরিটি ক্রিটের ‘ইউএস নেভাল সাপোর্ট অ্যাক্টিভিটি সউদা বে’ ঘাঁটিতে অবস্থান করছিল। তবে এর আকস্মিক প্রস্থান এবং বর্তমান গন্তব্য সম্পর্কে এথেন্সে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।
জেনেভায় ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মধ্যস্থতায় যখন তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে, ঠিক সেই মুহূর্তেই রণতরিটির এই অবস্থান পরিবর্তন ভূ-রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের নজর কেড়েছে। মূলত ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টির লক্ষ্যেই এই রণতরিটিকে এই অঞ্চলে মোতায়েন করা হয়েছিল।
উল্লেখ্য, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে গত বছর তেহরানের ওপর হামলার নির্দেশ দিয়েছিলেন সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নতুন পারমাণবিক চুক্তিতে রাজি না হলে সামরিক পদক্ষেপের হুমকিও দিয়ে আসছিলেন তিনি। পশ্চিমা দেশগুলোর দাবি, ইরান বেসামরিক ব্যবহারের আড়ালে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে, যদিও তেহরান বরাবরই এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্য ও এর আশপাশের জলসীমায় ওয়াশিংটনের ব্যাপক সামরিক উপস্থিতি রয়েছে। ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড ছাড়াও এই অঞ্চলে বর্তমানে বিমানবাহী রণতরি ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’, ৯টি ডেস্ট্রয়ার এবং আরও তিনটি শক্তিশালী যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন রেখেছে পেন্টাগন।
রিপোর্টারের নাম 

























