ঢাকা ০৮:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

জাতীয় নির্বাচনে জামানত হারালেন এনসিপি প্রার্থী, চট্টগ্রামে বিএনপির একচেটিয়া জয়

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৪২:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৮ (চান্দগাঁও–বোয়ালখালী) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) একমাত্র প্রার্থী জোবাইরুল হাসান আরিফ জামানত হারিয়েছেন। প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট পেতে ব্যর্থ হওয়ায় তার জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে। এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৫৪ হাজার ৭২৯ জন হলেও, ভোট পড়েছে ২ লাখ ৫৬ হাজার ১৩৪টি।

ঘোষিত ফলাফলে দেখা গেছে, এনসিপি প্রার্থী জোবাইরুল হাসান আরিফ মাত্র ২ হাজার ৯০৬ ভোট পেয়েছেন, যা মোট প্রদত্ত ভোটের মাত্র শূন্য দশমিক ৫২ শতাংশ। নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, জামানত রক্ষা করতে হলে একজন প্রার্থীকে প্রদত্ত ভোটের অন্তত এক-অষ্টমাংশ পেতে হয়। এই হিসেবে, চট্টগ্রাম-৮ আসনে জামানত পেতে হলে প্রার্থীকে প্রায় ৩২ হাজার ভোট পেতে হতো।

এই আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ ১ লাখ ৫০ হাজার ৭৩৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আবু নাছের পেয়েছেন ৫২ হাজার ৩৩ ভোট।

শুধু এনসিপি প্রার্থীই নন, এই আসনে আরও দুই প্রার্থী তাদের জামানত হারিয়েছেন। ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মোহাম্মদ নুরুল আলম পেয়েছেন ১ হাজার ১৮৮ ভোট এবং ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের প্রার্থী মোহাম্মদ এমদাদুল হক পেয়েছেন ৮৭০ ভোট।

চট্টগ্রামের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন এবং বোয়ালখালীর সহকারী রিটার্নিং অফিসার মেহেদী হাসান ফারুক ঘোষিত ফলাফলে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম জেলার মোট ১৬টি আসনের মধ্যে বিএনপি প্রার্থীরা ১৪টি আসনে জয়লাভ করেছেন। বাকি দুটি আসনে জয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

খেলার সময়সূচি: টিভির পর্দায় আজ যেসব খেলা দেখবেন

জাতীয় নির্বাচনে জামানত হারালেন এনসিপি প্রার্থী, চট্টগ্রামে বিএনপির একচেটিয়া জয়

আপডেট সময় : ০৭:৪২:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৮ (চান্দগাঁও–বোয়ালখালী) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) একমাত্র প্রার্থী জোবাইরুল হাসান আরিফ জামানত হারিয়েছেন। প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট পেতে ব্যর্থ হওয়ায় তার জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে। এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৫৪ হাজার ৭২৯ জন হলেও, ভোট পড়েছে ২ লাখ ৫৬ হাজার ১৩৪টি।

ঘোষিত ফলাফলে দেখা গেছে, এনসিপি প্রার্থী জোবাইরুল হাসান আরিফ মাত্র ২ হাজার ৯০৬ ভোট পেয়েছেন, যা মোট প্রদত্ত ভোটের মাত্র শূন্য দশমিক ৫২ শতাংশ। নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, জামানত রক্ষা করতে হলে একজন প্রার্থীকে প্রদত্ত ভোটের অন্তত এক-অষ্টমাংশ পেতে হয়। এই হিসেবে, চট্টগ্রাম-৮ আসনে জামানত পেতে হলে প্রার্থীকে প্রায় ৩২ হাজার ভোট পেতে হতো।

এই আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ ১ লাখ ৫০ হাজার ৭৩৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আবু নাছের পেয়েছেন ৫২ হাজার ৩৩ ভোট।

শুধু এনসিপি প্রার্থীই নন, এই আসনে আরও দুই প্রার্থী তাদের জামানত হারিয়েছেন। ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মোহাম্মদ নুরুল আলম পেয়েছেন ১ হাজার ১৮৮ ভোট এবং ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের প্রার্থী মোহাম্মদ এমদাদুল হক পেয়েছেন ৮৭০ ভোট।

চট্টগ্রামের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন এবং বোয়ালখালীর সহকারী রিটার্নিং অফিসার মেহেদী হাসান ফারুক ঘোষিত ফলাফলে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম জেলার মোট ১৬টি আসনের মধ্যে বিএনপি প্রার্থীরা ১৪টি আসনে জয়লাভ করেছেন। বাকি দুটি আসনে জয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা।