যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবল অঙ্গনে লিওনেল মেসির প্রভাব কেবল মাঠের পারফরম্যান্সেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং মাঠের বাইরেও তার রাজত্ব স্পষ্ট। ফ্লোরিডার ক্লাব ইন্টার মিয়ামি, যা পূর্বে কখনো কোনো শিরোপা জিততে পারেনি, আর্জেন্টাইন সুপারস্টারের আগমনের পর তাদের ইতিহাসের মোড় ঘুরে গেছে। মেসির নেতৃত্বে মিয়ামি এখন তিনটি ট্রফি ঘরে তুলেছে, যা কেবল তাদের সাফল্যকেই বাড়িয়ে তোলেনি, বরং ক্লাবের আয় ও ব্র্যান্ড মূল্যকেও অভূতপূর্ব উচ্চতায় নিয়ে গেছে। বর্তমানে, যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারের (MLS) ৩০টি ক্লাবের মধ্যে ইন্টার মিয়ামিই সবচেয়ে মূল্যবান দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।
২০২৬ সালে নতুন মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই ইন্টার মিয়ামির আনুমানিক মূল্য দাঁড়িয়েছে ১৪৫ কোটি মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৭ হাজার ৪০০ কোটি টাকার সমতুল্য। এই বিপুল পরিমাণ মূল্যমান নিয়ে মিয়ামি যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে দামি ক্লাবগুলোর তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করেছে। এই অর্জনের ফলে তারা লস অ্যাঞ্জেলেস এফসি-কে পেছনে ফেলেছে, যারা ১৪০ কোটি ডলার মূল্য নিয়ে বর্তমানে দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে। ক্রীড়া অর্থনীতি বিষয়ক খ্যাতনামা সংবাদমাধ্যম স্পোর্তিকোর এক সমীক্ষায় এই তথ্য উঠে এসেছে।
গত এক বছরে ইন্টার মিয়ামির বাজারমূল্য প্রায় ২২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা তাদের এই অভাবনীয় প্রবৃদ্ধির মূল কারণ। মেসি এবং লুইস সুয়ারেজের মতো তারকাদের আগমনে ক্লাবটির ব্র্যান্ড ভ্যালু আকাশচুম্বী হয়েছে। অন্যদিকে, লস অ্যাঞ্জেলেস এফসি-র প্রবৃদ্ধি মাত্র ৯ শতাংশ হওয়ায় তারা মিয়ামির আয়ের গতির সঙ্গে তাল মেলাতে পারেনি। শীর্ষ পাঁচ মূল্যবান ক্লাবের তালিকায় অন্য তিনটি দল হলো – লস অ্যাঞ্জেলেস গ্যালাক্সি (১১৭ কোটি ডলার), আটলান্টা ইউনাইটেড (১১৪ কোটি ডলার) এবং নিউইয়র্ক সিটি এফসি (১১২ কোটি ডলার)।
রিপোর্টারের নাম 























