ঢাকা ১১:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬

গোপালগঞ্জের বেশিরভাগ কেন্দ্রই ভোটার শূন্য

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৩৭:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

চলছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। সারা দেশে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে ভোটগ্রহণ। তবে আওয়ামী লীগের দুর্গ খ্যাত গোপালগঞ্জ সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম।

বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, ভোটারদের উপস্থিতি অনেক কম। আবার যে সমস্ত ভোটকেন্দ্র প্রার্থী রয়েছে, সেগুলোতে কর্মীদের সংখ্যা বেশি। 

গোপালগঞ্জের পরিস্থিতি অন্যরকম হতে পারে এমন আশঙ্কা আগে থেকেই ছিল। সকাল ১০টা পর্যন্ত হয়েছেও তেমন। কেন্দ্রগুলোতে ভোটার উপস্থিতি নেই বললেই চলে। টুঙ্গিপাড়া উপজেলার অনেক কেন্দ্রে ধানের শীষ ছাড়া অন্য প্রার্থীর এজেন্ট নেই। সদর উপজেলায় ধানের শীষ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের এজেন্ট ছিল উল্লেখযোগ্য।
গোপালগঞ্জ ১, ২ ও ৩- এ তিনটি আসনের মোট ভোটার প্রায় ১০ লাখ। এই পুরো জেলা মূলত আওয়ামী লীগ অধ্যুষিত অঞ্চল।

গোপালগঞ্জ-৩ আসন থেকেই শেখ হাসিনা নির্বাচন করতেন এবং আওয়ামী লীগ যতবারই নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন, ততবারই তারা এ আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। কিন্তু এবার আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারেনি। তাই এখানকার ভোটারদের মাঝে ভোট নিয়ে এক ধরনের অনাগ্রহ আছে।

গোপালগঞ্জ-২ আসনে বারবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিমের এলাকায় কোনও দলই ভালো অবস্থান সৃষ্টি করতে পারেনি। এখানে বর্তমানে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী এবং জামায়াত সমর্থিত খেলাফত মজলিসের প্রার্থীর কিছু ভোটার রয়েছে। তবে সাধারণ ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আগ্রহ নেই বললেই চলে।

তবে এসব কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যাপক তৎপরতা দেখা গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, সময় গড়ালে সেখানে ভোটারদের উপস্থিতি বাড়তে পারে।

উল্লেখ্য বুধবার রাতে গোপালগঞ্জের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। এরপর থেকে নিরাপত্তার ব্যবস্থা আরও কড়াকড়ি করা হয়েছে। বর্তমানে মাঠে যৌথ বাহিনীর টহল লক্ষ্য করা গেছে। পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসন সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।

এদিকে গোপালগঞ্জ শহর এর সব ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। একইসঙ্গে জরুরি প্রয়োজন ব্যতীত সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ আছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দুই মিত্র দেশের নেতৃত্বের পতনেও চীন কেন নীরব দর্শক?

গোপালগঞ্জের বেশিরভাগ কেন্দ্রই ভোটার শূন্য

আপডেট সময় : ১১:৩৭:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চলছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। সারা দেশে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে ভোটগ্রহণ। তবে আওয়ামী লীগের দুর্গ খ্যাত গোপালগঞ্জ সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম।

বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, ভোটারদের উপস্থিতি অনেক কম। আবার যে সমস্ত ভোটকেন্দ্র প্রার্থী রয়েছে, সেগুলোতে কর্মীদের সংখ্যা বেশি। 

গোপালগঞ্জের পরিস্থিতি অন্যরকম হতে পারে এমন আশঙ্কা আগে থেকেই ছিল। সকাল ১০টা পর্যন্ত হয়েছেও তেমন। কেন্দ্রগুলোতে ভোটার উপস্থিতি নেই বললেই চলে। টুঙ্গিপাড়া উপজেলার অনেক কেন্দ্রে ধানের শীষ ছাড়া অন্য প্রার্থীর এজেন্ট নেই। সদর উপজেলায় ধানের শীষ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের এজেন্ট ছিল উল্লেখযোগ্য।
গোপালগঞ্জ ১, ২ ও ৩- এ তিনটি আসনের মোট ভোটার প্রায় ১০ লাখ। এই পুরো জেলা মূলত আওয়ামী লীগ অধ্যুষিত অঞ্চল।

গোপালগঞ্জ-৩ আসন থেকেই শেখ হাসিনা নির্বাচন করতেন এবং আওয়ামী লীগ যতবারই নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন, ততবারই তারা এ আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। কিন্তু এবার আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারেনি। তাই এখানকার ভোটারদের মাঝে ভোট নিয়ে এক ধরনের অনাগ্রহ আছে।

গোপালগঞ্জ-২ আসনে বারবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিমের এলাকায় কোনও দলই ভালো অবস্থান সৃষ্টি করতে পারেনি। এখানে বর্তমানে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী এবং জামায়াত সমর্থিত খেলাফত মজলিসের প্রার্থীর কিছু ভোটার রয়েছে। তবে সাধারণ ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আগ্রহ নেই বললেই চলে।

তবে এসব কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যাপক তৎপরতা দেখা গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, সময় গড়ালে সেখানে ভোটারদের উপস্থিতি বাড়তে পারে।

উল্লেখ্য বুধবার রাতে গোপালগঞ্জের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। এরপর থেকে নিরাপত্তার ব্যবস্থা আরও কড়াকড়ি করা হয়েছে। বর্তমানে মাঠে যৌথ বাহিনীর টহল লক্ষ্য করা গেছে। পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসন সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।

এদিকে গোপালগঞ্জ শহর এর সব ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। একইসঙ্গে জরুরি প্রয়োজন ব্যতীত সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ আছে।