ঢাকা ০৪:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

সুনামগঞ্জ-১ আসনে ভোটের উত্তাপ: মুখোমুখি বিএনপি ও জামায়াত

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৭:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

সুনামগঞ্জ-১ (ধর্মপাশা-মধ্যনগর-তাহিরপুর-জামালগঞ্জ) আসনে আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গন এখন সরগরম। এই আসনে প্রধান দুই রাজনৈতিক শক্তি বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদের মধ্যে এক হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। ভোটের মাঠে ধানের শীষের পক্ষে লড়ছেন জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান কামরুল এবং জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন জেলা জামায়াতের আমির তোফায়েল আহমদ।

নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, প্রচার-প্রচারণার পারদ ততই বাড়ছে। ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত প্রার্থীরা চষে বেড়াচ্ছেন নির্বাচনী এলাকার এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। পথসভা, গণসংযোগ আর হাট-বাজারে ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। প্রার্থীর পাশাপাশি দলীয় নেতা-কর্মীরাও দলবেঁধে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন।

স্থানীয় পর্যায়ে বিএনপির প্রার্থী কামরুজ্জামান কামরুল দলের সাংগঠনিক শক্তিকে কাজে লাগিয়ে জোরালো প্রচারণা চালাচ্ছেন। শুরুতে প্রার্থী পরিবর্তন নিয়ে নেতা-কর্মীদের মধ্যে কিছুটা দ্বিধাদ্বন্দ্ব থাকলেও, এখন তারা সেই বিভেদ কাটিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে নেমেছেন বলে দাবি করছে দলটি। ধর্মপাশা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জুলফিকার আলী ভুট্টোর মতে, এই নির্বাচন মূলত গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াই। ভোটাররা তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ধানের শীষকেই বিপুল ভোটে জয়ী করবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অন্যদিকে, জামায়াত প্রার্থী তোফায়েল আহমদও তার সুসংগঠিত কর্মী বাহিনী নিয়ে নির্বাচনী লড়াইয়ে শক্ত অবস্থানে রয়েছেন। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের ভোটারদের আকৃষ্ট করতে তারা ভিন্নধর্মী কৌশল গ্রহণ করেছেন। ধর্মপাশা উপজেলা এনসিপির সদস্য সচিব আজহারুল ইসলাম দিপ্ত জানান, সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে তরুণ ও শিক্ষার্থী ভোটাররা এবার বড় ভূমিকা রাখবেন। তরুণদের ভোট যদি দাঁড়িপাল্লার পক্ষে আসে, তবে এই আসনে চমকপ্রদ ফলাফল আসা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।

সব মিলিয়ে সুনামগঞ্জ-১ আসনে বিএনপি ও জামায়াতের এই দ্বিমুখী লড়াই সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি করেছে। এখন দেখার বিষয়, শেষ পর্যন্ত ভোটাররা কার গলায় জয়ের মালা পরান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্প, হাজারো মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে

সুনামগঞ্জ-১ আসনে ভোটের উত্তাপ: মুখোমুখি বিএনপি ও জামায়াত

আপডেট সময় : ০৩:৪৭:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সুনামগঞ্জ-১ (ধর্মপাশা-মধ্যনগর-তাহিরপুর-জামালগঞ্জ) আসনে আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গন এখন সরগরম। এই আসনে প্রধান দুই রাজনৈতিক শক্তি বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদের মধ্যে এক হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। ভোটের মাঠে ধানের শীষের পক্ষে লড়ছেন জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান কামরুল এবং জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন জেলা জামায়াতের আমির তোফায়েল আহমদ।

নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, প্রচার-প্রচারণার পারদ ততই বাড়ছে। ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত প্রার্থীরা চষে বেড়াচ্ছেন নির্বাচনী এলাকার এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। পথসভা, গণসংযোগ আর হাট-বাজারে ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। প্রার্থীর পাশাপাশি দলীয় নেতা-কর্মীরাও দলবেঁধে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন।

স্থানীয় পর্যায়ে বিএনপির প্রার্থী কামরুজ্জামান কামরুল দলের সাংগঠনিক শক্তিকে কাজে লাগিয়ে জোরালো প্রচারণা চালাচ্ছেন। শুরুতে প্রার্থী পরিবর্তন নিয়ে নেতা-কর্মীদের মধ্যে কিছুটা দ্বিধাদ্বন্দ্ব থাকলেও, এখন তারা সেই বিভেদ কাটিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে নেমেছেন বলে দাবি করছে দলটি। ধর্মপাশা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জুলফিকার আলী ভুট্টোর মতে, এই নির্বাচন মূলত গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াই। ভোটাররা তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ধানের শীষকেই বিপুল ভোটে জয়ী করবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অন্যদিকে, জামায়াত প্রার্থী তোফায়েল আহমদও তার সুসংগঠিত কর্মী বাহিনী নিয়ে নির্বাচনী লড়াইয়ে শক্ত অবস্থানে রয়েছেন। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের ভোটারদের আকৃষ্ট করতে তারা ভিন্নধর্মী কৌশল গ্রহণ করেছেন। ধর্মপাশা উপজেলা এনসিপির সদস্য সচিব আজহারুল ইসলাম দিপ্ত জানান, সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে তরুণ ও শিক্ষার্থী ভোটাররা এবার বড় ভূমিকা রাখবেন। তরুণদের ভোট যদি দাঁড়িপাল্লার পক্ষে আসে, তবে এই আসনে চমকপ্রদ ফলাফল আসা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।

সব মিলিয়ে সুনামগঞ্জ-১ আসনে বিএনপি ও জামায়াতের এই দ্বিমুখী লড়াই সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি করেছে। এখন দেখার বিষয়, শেষ পর্যন্ত ভোটাররা কার গলায় জয়ের মালা পরান।