ঢাকা ১১:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

সোশ্যাল মিডিয়ার তোপের মুখে জামায়াত নেতা: রাজনীতিতে ডিজিটাল প্রভাব

সম্প্রতি জামায়াতে ইসলামীর এক প্রবীণ সংসদ সদস্য নারীঘটিত কেলেঙ্কারির জেরে দল থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন। এই ঘটনায় তার সংসদ সদস্য পদও হারানো অস্বাভাবিক নয়। বিরোধী দল দ্রুততার সঙ্গে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে প্রশংসিত হয়েছে। তবে, এই ঘটনার সূত্রপাত ঘটেছিল সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া কিছু ভিডিওর মাধ্যমে, যা ৭৬ বছর বয়সী এই রাজনীতিবিদকে জীবনের শেষ প্রান্তে এসে চরমভাবে সমালোচিত ও অপমানিত করেছে।

আমাদের পত্রিকা, ‘আমার দেশ’, একটি গভীর রাজনৈতিক চরিত্র বহন করে এবং সাধারণত ব্যক্তিগত বা চটুল বিষয় নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করে না। আমরা বিনোদন পত্রিকা নই এবং এই ধরনের অনেক চটকদার খবর এলেও সেগুলোকে উপেক্ষা করাই আমাদের সম্পাদকীয় নীতি। তবে, অভিযুক্ত ব্যক্তি একজন সংসদ সদস্য হওয়ায় এবং ঘটনাটির রাজনৈতিক গুরুত্ব থাকায় আমরা এটিকে গুরুত্ব দিয়েছি। অন্যথায়, এটি নিছক ব্যক্তিগত বিষয় হিসেবে বিবেচিত হত।

এই সংবাদ প্রকাশের আগে আমরা ঢাকা ও সাতক্ষীরার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে, দীর্ঘ অনুসন্ধানের মাধ্যমে পুরো বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছি। শুধুমাত্র সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও ভাইরাল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভিউয়ের লোভে আমরা ঝাঁপিয়ে পড়িনি। আমাদের সহকর্মীদের এই সতর্ক ও পেশাদার আচরণের জন্য আমরা কিছু সময় আওয়ামী ও বিএনপি সমর্থিত ‘বট বাহিনীর’ কাছ থেকে নানা ধরনের তীর্যক মন্তব্যের শিকার হয়েছি। তবে, পরবর্তীতে অনেক পত্রিকা আমাদের প্রকাশিত প্রকৃত তথ্য থেকে ধার করে সংবাদ প্রকাশ করতে বাধ্য হয়েছে। বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতারাও আমাদের মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট শেয়ার করেছেন এবং কেউ কেউ মন্তব্য করেছেন যে, জামায়াতের এই এমপির রাজনৈতিক জীবনে ‘আমার দেশ’ শেষ পেরেক ঠুকে দিয়েছে। এই ঘটনা রাজনীতি ও সমাজে সোশ্যাল মিডিয়ার প্রবল ক্ষমতাকেই পুনরায় প্রমাণ করেছে।

বর্তমানে শুধু জামায়াত নেতাই নন, সরকারি দলের এমপি ও মন্ত্রীরাও সোশ্যাল মিডিয়ার আক্রমণের মুখে পড়ছেন। কিছুদিন আগেই শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলনের একটি টেলিফোন আলাপ ভাইরাল হয়েছিল, যা রাজপথ পর্যন্ত গড়িয়েছিল। বর্তমান প্রজন্মকে নিয়ে তার একটি আপত্তিকর মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দেশে একটি ‘ফার্ম চিকেন’ পার্টি গঠনের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। শিক্ষামন্ত্রীকে সংসদে দুঃখ প্রকাশ করতে হয়েছিল।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপি-এনসিপির পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি, হবিগঞ্জে ১৪৪ দ্বারা জারি

সোশ্যাল মিডিয়ার তোপের মুখে জামায়াত নেতা: রাজনীতিতে ডিজিটাল প্রভাব

আপডেট সময় : ০৮:৪৪:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

সম্প্রতি জামায়াতে ইসলামীর এক প্রবীণ সংসদ সদস্য নারীঘটিত কেলেঙ্কারির জেরে দল থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন। এই ঘটনায় তার সংসদ সদস্য পদও হারানো অস্বাভাবিক নয়। বিরোধী দল দ্রুততার সঙ্গে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে প্রশংসিত হয়েছে। তবে, এই ঘটনার সূত্রপাত ঘটেছিল সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া কিছু ভিডিওর মাধ্যমে, যা ৭৬ বছর বয়সী এই রাজনীতিবিদকে জীবনের শেষ প্রান্তে এসে চরমভাবে সমালোচিত ও অপমানিত করেছে।

আমাদের পত্রিকা, ‘আমার দেশ’, একটি গভীর রাজনৈতিক চরিত্র বহন করে এবং সাধারণত ব্যক্তিগত বা চটুল বিষয় নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করে না। আমরা বিনোদন পত্রিকা নই এবং এই ধরনের অনেক চটকদার খবর এলেও সেগুলোকে উপেক্ষা করাই আমাদের সম্পাদকীয় নীতি। তবে, অভিযুক্ত ব্যক্তি একজন সংসদ সদস্য হওয়ায় এবং ঘটনাটির রাজনৈতিক গুরুত্ব থাকায় আমরা এটিকে গুরুত্ব দিয়েছি। অন্যথায়, এটি নিছক ব্যক্তিগত বিষয় হিসেবে বিবেচিত হত।

এই সংবাদ প্রকাশের আগে আমরা ঢাকা ও সাতক্ষীরার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে, দীর্ঘ অনুসন্ধানের মাধ্যমে পুরো বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছি। শুধুমাত্র সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও ভাইরাল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভিউয়ের লোভে আমরা ঝাঁপিয়ে পড়িনি। আমাদের সহকর্মীদের এই সতর্ক ও পেশাদার আচরণের জন্য আমরা কিছু সময় আওয়ামী ও বিএনপি সমর্থিত ‘বট বাহিনীর’ কাছ থেকে নানা ধরনের তীর্যক মন্তব্যের শিকার হয়েছি। তবে, পরবর্তীতে অনেক পত্রিকা আমাদের প্রকাশিত প্রকৃত তথ্য থেকে ধার করে সংবাদ প্রকাশ করতে বাধ্য হয়েছে। বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতারাও আমাদের মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট শেয়ার করেছেন এবং কেউ কেউ মন্তব্য করেছেন যে, জামায়াতের এই এমপির রাজনৈতিক জীবনে ‘আমার দেশ’ শেষ পেরেক ঠুকে দিয়েছে। এই ঘটনা রাজনীতি ও সমাজে সোশ্যাল মিডিয়ার প্রবল ক্ষমতাকেই পুনরায় প্রমাণ করেছে।

বর্তমানে শুধু জামায়াত নেতাই নন, সরকারি দলের এমপি ও মন্ত্রীরাও সোশ্যাল মিডিয়ার আক্রমণের মুখে পড়ছেন। কিছুদিন আগেই শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলনের একটি টেলিফোন আলাপ ভাইরাল হয়েছিল, যা রাজপথ পর্যন্ত গড়িয়েছিল। বর্তমান প্রজন্মকে নিয়ে তার একটি আপত্তিকর মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দেশে একটি ‘ফার্ম চিকেন’ পার্টি গঠনের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। শিক্ষামন্ত্রীকে সংসদে দুঃখ প্রকাশ করতে হয়েছিল।