ঢাকা ০৬:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

শিবচরে পাটের বাম্পার ফলন, ভালো দাম পেয়ে কৃষকের মুখে হাসি

মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায় পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে। উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি বাজারে সন্তোষজনক দাম পাওয়ায় কৃষকদের মধ্যে ফিরেছে স্বস্তি। বর্তমানে উপজেলার বিভিন্ন হাটে মানভেদে প্রতি মণ পাট ৪ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

উপজেলার শেখপুর এলাকার কৃষক মাসুম তাইয়ানী বলেন, গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার পাটের ফলন অনেক ভালো হয়েছে। বাজারেও চাহিদা রয়েছে। উৎপাদন খরচ মিটিয়ে ভালো লাভের আশা করছি।

স্থানীয় পাট ব্যবসায়ীরা জানান, শিবচর পৌর বাসস্ট্যান্ড হাট, মাদবরচর হাট, উতরাইল হাট, কুতুবপুর হাট ও চান্দেরচর হাটে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে পাইকাররা পাট কিনতে আসছেন। উন্নতমানের আঁশের কারণে শিবচরের পাটের আলাদা সুনাম রয়েছে। ফলে বাজারে ভালো দামও মিলছে।

শিবচর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আলীমুজ্জামান বলেন, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ৭ হাজার ৮০০ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী চাষাবাদ করায় ফলনও সন্তোষজনক হয়েছে। কৃষকদের প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা অব্যাহত রয়েছে।

শিবচর উপজেলার কৃষকদের আশা, বাজারে বর্তমান মূল্য স্থিতিশীল থাকলে তারা আরও লাভবান হবেন। সংশ্লিষ্টদের মতে, উৎপাদন বৃদ্ধি, উন্নত সংরক্ষণ ব্যবস্থা ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা গেলে দেশের অর্থনীতিতে ‘সোনালি আঁশ’ পাট আবারও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কুমিল্লার তিতাসে টেঁটাযুদ্ধে নারী নিহত: ৬১ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা, গ্রেপ্তার ৫

শিবচরে পাটের বাম্পার ফলন, ভালো দাম পেয়ে কৃষকের মুখে হাসি

আপডেট সময় : ০৪:৩১:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায় পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে। উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি বাজারে সন্তোষজনক দাম পাওয়ায় কৃষকদের মধ্যে ফিরেছে স্বস্তি। বর্তমানে উপজেলার বিভিন্ন হাটে মানভেদে প্রতি মণ পাট ৪ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

উপজেলার শেখপুর এলাকার কৃষক মাসুম তাইয়ানী বলেন, গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার পাটের ফলন অনেক ভালো হয়েছে। বাজারেও চাহিদা রয়েছে। উৎপাদন খরচ মিটিয়ে ভালো লাভের আশা করছি।

স্থানীয় পাট ব্যবসায়ীরা জানান, শিবচর পৌর বাসস্ট্যান্ড হাট, মাদবরচর হাট, উতরাইল হাট, কুতুবপুর হাট ও চান্দেরচর হাটে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে পাইকাররা পাট কিনতে আসছেন। উন্নতমানের আঁশের কারণে শিবচরের পাটের আলাদা সুনাম রয়েছে। ফলে বাজারে ভালো দামও মিলছে।

শিবচর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আলীমুজ্জামান বলেন, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ৭ হাজার ৮০০ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী চাষাবাদ করায় ফলনও সন্তোষজনক হয়েছে। কৃষকদের প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা অব্যাহত রয়েছে।

শিবচর উপজেলার কৃষকদের আশা, বাজারে বর্তমান মূল্য স্থিতিশীল থাকলে তারা আরও লাভবান হবেন। সংশ্লিষ্টদের মতে, উৎপাদন বৃদ্ধি, উন্নত সংরক্ষণ ব্যবস্থা ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা গেলে দেশের অর্থনীতিতে ‘সোনালি আঁশ’ পাট আবারও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে।