আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে সারা দেশের ২৯৯টি সংসদীয় আসনে ব্যালট পেপার বিতরণ সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে শনিবার এই ব্যালট পাঠানো শেষ হয়। এখন রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা নিজেদের কার্যালয় থেকে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের (এআরও) কাছে এসব ব্যালট বিতরণ শুরু করবেন।
ইসি সূত্র জানিয়েছে, গত ২১ জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই ব্যালট মুদ্রণের কাজ শুরু হয়। পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন আসনে মুদ্রিত ব্যালট পাঠানো হয়েছে। সর্বশেষ শনিবার একটি আসন বাদে বাকি সবগুলোতে ব্যালট পাঠানো শেষ হয়। রোববার সকালে অবশিষ্ট আসনটিতে ব্যালট পৌঁছানোর মাধ্যমে জেলাওয়ারী বিতরণের কাজ সম্পন্ন হবে। এরপর রিটার্নিং কর্মকর্তারা নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় ব্যালট বিতরণের জন্য প্রস্তুত। নির্বাচন কমিশন থেকে চিঠি দিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের রোববার থেকে আসনওয়ারী ব্যালট বিতরণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, এবারই প্রথম সরকারি কর্মকর্তা, কারাবন্দী, নির্বাচনী কর্মকর্তাসহ চার শ্রেণির ভোটার এবং বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোটদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সর্বোচ্চ ১৫ লাখ ৩৩ হাজারের বেশি ভোটার পোস্টাল ভোট বিধি অ্যাপে নিবন্ধন করেন। এদের মধ্যে ইতিমধ্যে ৩ লাখ ৯ হাজারের বেশি ভোটার ভোট প্রদান করে ব্যালট দেশে পাঠিয়েছেন, যা রিটার্নিং কর্মকর্তারা গ্রহণ করেছেন।
পোস্টাল ব্যালটের বাইরে ১২ কোটি ৬২ লাখেরও বেশি ভোটার ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। তাঁদের জন্য মুদ্রিত ব্যালটগুলোও শনিবার রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো শেষ হয়েছে। আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণ কর্মকর্তারা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছ থেকে ব্যালট ও অন্যান্য নির্বাচনী সামগ্রী বুঝে নিয়ে রাতেই ভোটকেন্দ্রে পৌঁছে যাবেন। ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ চলবে।
গাজীপুরের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলম হোসেন নিশ্চিত করেছেন যে, তাঁর জেলার সবকটি আসনের ব্যালট তিনি বুঝে পেয়েছেন। তিনি জানান, রোববার থেকে নিজ নিজ আসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে ব্যালট বিতরণের প্রক্রিয়া শুরু হবে। নির্বাচন কমিশন থেকে শনিবারই এ সংক্রান্ত নির্দেশনা তাদের কাছে পৌঁছেছে।
যারা পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিচ্ছেন, তাঁদের নাম সম্পূরক ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মূল ভোটার তালিকার ভিত্তিতে কেবল যারা সরাসরি কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেবেন, তাঁদের সংখ্যা অনুযায়ী ব্যালট ছাপানো হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 























