ঢাকা ০৮:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬

ইশারা ভাষা করুণা নয়, অধিকার: উপদেষ্টা শারমীন

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:০৩:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

বাক্ ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী নাগরিকদের ইশারা ভাষাকে করুণা নয়, বরং তাদের মৌলিক অধিকার হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন সমাজকল্যাণ এবং নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইশারা ভাষা এদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ভাষা এবং রাষ্ট্রকেই এর সুরক্ষা ও ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

শনিবার ঢাকার জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনে বাংলা ইশারা ভাষা দিবস–২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা শারমীন উল্লেখ করেন, ইশারা ভাষা কেবল যোগাযোগের একটি মাধ্যম নয়; এটি বাক্ ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী মানুষের ভাষাগত পরিচয়, আত্মমর্যাদা এবং পূর্ণাঙ্গ নাগরিক অধিকারের ভিত্তি। একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থায় শিক্ষা, স্বাস্থ্য, তথ্য ও বিচার ব্যবস্থায় সকল নাগরিকের সমান প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের অপরিহার্য দায়িত্ব।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি দপ্তর এবং গণমাধ্যমে ইশারা ভাষার ব্যবহার ব্যাপকভাবে সম্প্রসারণের মাধ্যমে বাক্ ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সমাজের মূলধারায় কার্যকরভাবে সম্পৃক্ত করা সম্ভব। সরকারি গণমাধ্যমে ইশারা ভাষার সফল ব্যবহারকে তিনি এর একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে তুলে ধরেন।

জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) তরিকুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কামাল উদ্দিন সরকার। আলোচনা সভা শেষে মেধাবী বাক্ ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের মাঝে সনদপত্র ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্যের অর্থনীতিতে ইরানের পাল্টা হামলার হুঁশিয়ারি: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের প্রতি কড়া বার্তা

ইশারা ভাষা করুণা নয়, অধিকার: উপদেষ্টা শারমীন

আপডেট সময় : ০৯:০৩:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাক্ ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী নাগরিকদের ইশারা ভাষাকে করুণা নয়, বরং তাদের মৌলিক অধিকার হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন সমাজকল্যাণ এবং নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইশারা ভাষা এদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ভাষা এবং রাষ্ট্রকেই এর সুরক্ষা ও ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

শনিবার ঢাকার জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনে বাংলা ইশারা ভাষা দিবস–২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা শারমীন উল্লেখ করেন, ইশারা ভাষা কেবল যোগাযোগের একটি মাধ্যম নয়; এটি বাক্ ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী মানুষের ভাষাগত পরিচয়, আত্মমর্যাদা এবং পূর্ণাঙ্গ নাগরিক অধিকারের ভিত্তি। একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থায় শিক্ষা, স্বাস্থ্য, তথ্য ও বিচার ব্যবস্থায় সকল নাগরিকের সমান প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের অপরিহার্য দায়িত্ব।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি দপ্তর এবং গণমাধ্যমে ইশারা ভাষার ব্যবহার ব্যাপকভাবে সম্প্রসারণের মাধ্যমে বাক্ ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সমাজের মূলধারায় কার্যকরভাবে সম্পৃক্ত করা সম্ভব। সরকারি গণমাধ্যমে ইশারা ভাষার সফল ব্যবহারকে তিনি এর একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে তুলে ধরেন।

জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) তরিকুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কামাল উদ্দিন সরকার। আলোচনা সভা শেষে মেধাবী বাক্ ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের মাঝে সনদপত্র ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়।