আসন্ন গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের সুবিধার্থে ভোটকেন্দ্র এবং ভোটার নম্বর সংক্রান্ত তথ্য পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজতর করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নাগরিকরা এখন থেকে চারটি ভিন্ন ও কার্যকর উপায়ে দ্রুততম সময়ে নিজেদের ভোটকেন্দ্রের অবস্থান ও প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করতে পারবেন।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ শাখা থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। নির্বাচন কমিশনের পরিচালক (জনসংযোগ) মো. রুহুল আমিন মল্লিক জানান, ভোটাররা যাতে কোনো ধরনের ভোগান্তি ছাড়াই তাদের নির্দিষ্ট কেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেজন্য এই আধুনিক সেবাগুলো চালু করা হয়েছে।
স্মার্ট অ্যাপের মাধ্যমে তথ্য:
প্রযুক্তিগত সেবার অংশ হিসেবে ‘স্মার্ট ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বিডি’ (Smart Election Management BD) নামক একটি অ্যাপ চালু করেছে ইসি। স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা প্লে-স্টোর বা অ্যাপ-স্টোর থেকে এটি ডাউনলোড করতে পারবেন। অ্যাপটি ইনস্টল করার পর ড্যাশবোর্ড থেকে ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন’ নির্বাচন করে ‘ভোটকেন্দ্র খুঁজুন’ অপশনে যেতে হবে। সেখানে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নম্বর এবং জন্মতারিখ প্রদান করলে ভোটার নম্বর, ক্রমিক নম্বর এবং ভোটকেন্দ্রের বিস্তারিত ঠিকানা পাওয়া যাবে।
হটলাইন ১০৫:
ডিজিটাল অ্যাপের পাশাপাশি সরাসরি কথা বলে তথ্য জানতে ‘১০৫’ হটলাইন নম্বরটি সচল রাখা হয়েছে। যেকোনো মোবাইল থেকে এই নম্বরে কল করে অপারেটরের সঙ্গে কথা বলতে ৯ চাপতে হবে। জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ও জন্মতারিখ প্রদান সাপেক্ষে এই সেবা পাওয়া যাবে। প্রতিদিন ভোর ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত সম্পূর্ণ বিনামূল্যে নাগরিকরা এই সুবিধাটি গ্রহণ করতে পারবেন।
এসএমএস পদ্ধতি:
ইন্টারনেট সংযোগ না থাকলেও সাধারণ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে এসএমএস করে তথ্য জানা যাবে। এ জন্য মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে ইংরেজিতে ‘PC’ লিখে একটি স্পেস দিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর (NID Number) লিখে ১০৫ নম্বরে পাঠাতে হবে। ফিরতি বার্তায় সংশ্লিষ্ট ভোটারের কেন্দ্র ও ভোটার নম্বর জানিয়ে দেওয়া হবে।
নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট:
ওয়েবসাইটের মাধ্যমে তথ্য পেতে নির্বাচন কমিশনের মূল পোর্টাল (ecs.gov.bd)-এ প্রবেশ করতে হবে। সেখানে ‘ভোটকেন্দ্র’ মেনুতে গিয়ে নির্বাচনি এলাকা ও উপজেলা বা থানা নির্বাচন করলে ওই এলাকার সকল কেন্দ্রের তালিকা দেখা যাবে। এছাড়া এনআইডি নম্বর ও জন্মতারিখ দিয়ে ব্যক্তিগতভাবেও তথ্য অনুসন্ধান করা যাবে। বিশেষ সুবিধ হিসেবে ওয়েবসাইটে গুগল ম্যাপের লিংক যুক্ত করা হয়েছে, যার মাধ্যমে ভোটাররা সহজেই কেন্দ্রের ভৌগোলিক অবস্থান ও যাতায়াতের পথ দেখে নিতে পারবেন।
নির্বাচন কমিশন আশা করছে, এই চারটি পদ্ধতি ব্যবহারের ফলে ভোটাররা কোনো বিভ্রান্তি ছাড়াই নির্বিঘ্নে ভোটদান প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন।
রিপোর্টারের নাম 























