রাজধানীতে নবম পে-স্কেলের দাবিতে আন্দোলনরত সরকারি কর্মচারীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জ ও জলকামান ব্যবহারের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুক্রবার এক বিবৃতিতে দলটির কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এই প্রতিক্রিয়া জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, শুক্রবার সকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও বাস্তবায়নের দাবিতে শান্তিপূর্ণ সমাবেশের ডাক দেন সরকারি কর্মচারীরা। কর্মসূচি শেষে মিছিল নিয়ে তারা রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশি বাধার মুখে পড়েন। বেলা সোয়া ১১টার পর পুলিশ আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে দফায় দফায় লাঠিচার্জ, টিয়ার গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করে। এতে বেশ কিছুসংখ্যক কর্মচারী আহত হয়েছেন বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, নিজের ন্যায্য ও যৌক্তিক দাবি আদায়ে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করা দেশের প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার। সরকারি কর্মচারীরা রাষ্ট্র পরিচালনার অন্যতম চালিকাশক্তি। তাদের ন্যায়সংগত দাবির বিপরীতে বলপ্রয়োগ কোনোভাবেই কাম্য নয় এবং এটি কোনো স্থায়ী সমাধান বয়ে আনবে না। কর্মচারীদের দাবির প্রতি সম্মান জানিয়ে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া সরকারের দায়িত্ব।
বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান মনে করেন, উদ্ভূত পরিস্থিতি আলাপ-আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করা সম্ভব। তিনি শান্তিপূর্ণ উপায়ে সংকট নিরসনে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে জামায়াতের পক্ষ থেকে আহতদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয় এবং সব পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের অনুরোধ করা হয়। পরিশেষে, সরকারি কর্মচারীদের উত্থাপিত যৌক্তিক দাবিগুলো মেনে নিয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 
























