আধুনিক যুদ্ধ যে কতটা ব্যয়বহুল হতে পারে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতা তার প্রমাণ দিচ্ছে। ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যকার চলমান সংঘাতে প্রতিদিন যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় হচ্ছে প্রায় ৮৯০ মিলিয়ন থেকে ১ বিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে, যুদ্ধের শুরু থেকে ইসরায়েল এখন পর্যন্ত খরচ করেছে প্রায় ১১.২ বিলিয়ন ডলার। তবে এই যুদ্ধের প্রভাব শুধু লড়াকু দেশগুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো দেশগুলোও ভয়াবহ অবকাঠামোগত ও অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়েছে।
ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আরব আমিরাতের দুবাইয়ের বিলাসবহুল হোটেল থেকে শুরু করে ফুজাইরাহ তেল রপ্তানি টার্মিনালের মতো গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর ফলে প্রতিদিন প্রায় ১০ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানি ব্যাহত হচ্ছে। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ ডেটা সেন্টার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ওই অঞ্চলের ব্যাংকিং ও ক্লাউড পরিষেবাও সংকটের মুখে পড়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভের কাছে বিশেষ ‘কারেন্সি সোয়াপ’ বা মুদ্রা বিনিময় চুক্তির প্রস্তাব দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান খালেদ মোহাম্মদ বালামা ইতোমধ্যে এ বিষয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছেন। হরমুজ প্রণালিতে সৃষ্ট অচলাবস্থা এবং রাজস্ব আয়ের ঘাটতি মোকাবিলায় এই আর্থিক নিরাপত্তা জাল আমিরাতের জন্য অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।
রিপোর্টারের নাম 
























