চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নূরুল ইসলাম বুলবুল প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের নিয়ে বিএনপির গোপন বৈঠককে উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, এ ধরনের ঘটনা অন্যান্য আসনেও ঘটতে পারে। একইসঙ্গে, ওই বৈঠকের আয়োজক এক সরকারি কর্মচারীকে ভ্রাম্যমাণ আদালত ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন।
গত সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে নূরুল ইসলাম বুলবুল এসব কথা বলেন।
তিনি জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসন (নাচোল-গোমস্তাপুর-ভোলাহাট) এলাকায় প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিএনপির প্রার্থী ও নেতা-কর্মীদের বৈঠকের খবর গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। এই ধরনের কার্যক্রম অন্য আসনগুলোতেও হবে না, এমন নিশ্চয়তা দেওয়া যায় না। বিষয়টি ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার দৃষ্টিগোচর হয়েছে উল্লেখ করে তিনি জরুরি ভিত্তিতে তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।
নির্বাচনকে ভিন্ন খাতে প্রভাবিত করা কিংবা ফলাফলকে নির্দিষ্ট দিকে নেওয়ার মতো কোনো চক্রান্ত যাতে না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান জামায়াত মনোনীত এই প্রার্থী।
জানা যায়, গত শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের ভোলাহাট উপজেলার বীরেশ্বরপুর গ্রামে মো. এরফান আলী নামের একজন সরকারি কর্মচারী একটি গোপন বৈঠকের আয়োজন করেন। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক এবং সম্ভাব্য সহকারী প্রিসাইডিং অফিসাররা এতে উপস্থিত ছিলেন। যদিও বৈঠকটি শিক্ষক সমিতির সভা হিসেবে আয়োজিত হয়েছিল, তবে সেখানে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. আমিনুল ইসলামকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। অবশ্য তিনি ওই সভায় উপস্থিত হননি। পরবর্তীতে এই ঘটনা প্রকাশ পেলে ভ্রাম্যমাণ আদালত ঢাকা উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের কর্মচারী এরফান আলীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
রিপোর্টারের নাম 























