নির্বাচনের পরিবেশ ধীরে ধীরে উত্তপ্ত হয়ে উঠছে বলে অভিযোগ করেছেন জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম। তিনি দাবি করেছেন, প্রতিনিয়ত রাতের আঁধারে তাঁদের নির্বাচনি ব্যানার-ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে, কার্যালয়গুলোতে অগ্নিসংযোগ করা হচ্ছে এবং কর্মীদের বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এসবের মাধ্যমে মানুষকে ভোটদানে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে বলে তিনি শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
সোমবার (২ জানুয়ারি) দুপুরে কামারখন্দ উপজেলার ঝাঐল ইউনিয়নের তেঘরি গ্রামে গণসংযোগ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
অধ্যাপক জাহিদুল ইসলাম আরও বলেন, প্রতিটি নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অপরাধী গ্রেপ্তার ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে যে ধরনের তৎপরতা দেখায়, এবার তার অভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, তাঁরা বিভিন্ন প্রকার অভিযোগ দিলেও সেগুলোর কোনো বাস্তব ফল দেখা যাচ্ছে না। নির্বাচনি আচরণবিধি অনুযায়ী কেউ কারো কাজে বাধা দিতে পারবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমি প্রার্থী হিসেবেই বিভিন্ন জায়গায় ভোট চাইতে গিয়ে বাধার সম্মুখীন হচ্ছি। কর্মীরা কত বাধার সম্মুখীন হচ্ছে, তা ব্যাখ্যা করার প্রয়োজন নেই।”
প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে তিনি বলেন, পিভিসি ব্যানার লাগানো নিষেধ হলেও প্রতিপক্ষের প্রতিটি ব্যানারেই পিভিসি ব্যবহার করা হচ্ছে এবং এ বিষয়ে প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। একটি ওয়ার্ডে একটির বেশি অফিস করার বিধান না থাকলেও তিনি একটি ওয়ার্ডে প্রতিপক্ষের পাঁচটি পর্যন্ত অফিস দেখতে পাচ্ছেন, যা আচরণবিধি পরিপন্থী। এসব বিষয়ে নির্বাচন কমিশন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কেন নীরব, তা তাঁর বোধগম্য নয়।
সব মিলিয়ে এই নির্বাচন প্রহসনের নির্বাচনে পরিণত হচ্ছে কি না, সে বিষয়ে তাঁদের ও সাধারণ জনগণের মনে শঙ্কা তৈরি হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন জামায়াত প্রার্থী। তিনি বলেন, মানুষের মধ্যে এখনও আস্থা ফিরে আসেনি যে নির্বাচন আদৌ সুষ্ঠু হবে এবং তারা স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারবে। বর্তমান পরিস্থিতি চলতে থাকলে মানুষ স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারবে না বলেও তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
রিপোর্টারের নাম 























