ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঁঠালিয়া) আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ড. ফয়জুল হকের পক্ষে নির্বাচনি প্রচার চালানোর সময় নারী কর্মীদের বাধা প্রদানের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার দুপুরে রাজাপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী নারী নেত্রীরা এই অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা মহিলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য খাদিজা বেগম লিখিত ও মৌখিক বক্তব্যে জানান, সোমবার সকালে রাজাপুর উপজেলার শুক্তাগড় ইউনিয়নের পিংড়ি এলাকায় তারা ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের পক্ষে গণসংযোগে বের হন। প্রচার চলাকালীন স্থানীয় বিএনপি প্রার্থী রফিকুল ইসলাম জামালের সমর্থক ও সাবেক উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদকের বোন মাজেদা বেগম প্রথমে তাদের পথরোধ করেন। পরবর্তীতে তার সংবাদের ভিত্তিতে জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জহিরুল হক সোহেলের নেতৃত্বে উপজেলা যুবদলের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে প্রচারকাজে সরাসরি বাধা প্রদান করেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, জামায়াতের নারী কর্মীরা ওই এলাকা ছেড়ে পাশের অন্য একটি স্থানে যাওয়ার চেষ্টা করলে সেখানেও তাদের অবরুদ্ধ করা হয়। এ সময় যুবদল ও বিএনপির নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে ওই এলাকায় অন্য কোনো প্রার্থীর প্রচার চালানো যাবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে খবর পেয়ে শুক্তাগড় ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আব্দুল আলিম ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তাকেও হেনস্তা ও অবরুদ্ধ করে রাখা হয় বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
জামায়াত নেত্রীরা দাবি করেন, বড় ধরনের কোনো সংঘাত এড়াতে তারা সেখান থেকে পিছু হটেন। তবে এর আগেও কয়েক দফা একই এলাকায় প্রচার চালাতে গিয়ে তারা বাধার মুখে পড়েছেন বলে অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর রাজাপুর উপজেলা আমির মাওলানা মো. কবির হোসেন, উপজেলা মহিলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সেক্রেটারি মোসা. সাহিদা বেগম ও সহ-সেক্রেটারি মারিয়ম বেগমসহ স্থানীয় নারী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। তারা নির্বাচনি প্রচারণায় লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশে সব প্রার্থীর সমান সুযোগ প্রদানের দাবি জানান।
রিপোর্টারের নাম 























