আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে দেশজুড়ে প্রায় এক লাখ সেনাবাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি আরও জানান, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ, নৌবাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব), কোস্টগার্ড এবং আনসার বাহিনীর সদস্যদেরও পর্যাপ্ত সংখ্যায় মোতায়েন করা হবে। এর মধ্যে দেড় লাখ পুলিশ, পাঁচ হাজার নৌবাহিনীর সদস্য, ৩৭ হাজার বিজিবি সদস্য, ১০ হাজার র্যাব সদস্য, পাঁচ হাজার কোস্টগার্ড সদস্য এবং প্রায় ছয় লাখ আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।
সোমবার বরিশাল শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক এক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব তথ্য জানান।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচন যাতে শান্তিপূর্ণ ও অবাধ হয়, সে লক্ষ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সকলের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা অপরিহার্য। তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রত্যেক কর্মকর্তা-কর্মচারী নিজ নিজ দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে।
বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চলে কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনীর সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। এবার নির্বাচনে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি)-এর সদস্যদেরও নিয়োগ করা হচ্ছে। এছাড়া, অপরাধীদের শনাক্তকরণ ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে প্রথমবারের মতো বডি ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। এর পাশাপাশি, নজরদারির জন্য সিসি ক্যামেরা এবং ড্রোনও ব্যবহার করা হবে। তিনি আরও জানান, সুরক্ষা অ্যাপের সফল ব্যবহারের মাধ্যমে এর আগে অনুষ্ঠিত পূজা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং আসন্ন নির্বাচনও অনুরূপভাবে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হবে বলে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
মতবিনিময় সভায় স্বরাষ্ট্র সচিব নাসিমুল গনি, বরিশাল বিভাগের ছয় জেলার ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 























