ইরানের সঙ্গে আমেরিকা-ইসরাইলের চলমান সংঘাতের ১১তম দিনে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে বিমান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এর ফলে বাংলাদেশ, পাকিস্তানসহ বিশ্বজুড়ে বিমান সংস্থাগুলো ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে এবং লাখ লাখ যাত্রী আটকা পড়েছেন। বিশেষ করে কাতার, কুয়েত এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিমান সংস্থাগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যের ছয়টি প্রধান বিমান সংস্থা— ইতিহাদ, এয়ার এরাবিয়া, ফ্লাইদুবাই, কাতার এয়ারওয়েজ, এমিরেটস এবং কুয়েত এয়ারওয়েজ— প্রতিদিন ২ হাজার ৩৮১টি করে ফ্লাইট বাতিল করছে। গত দশ দিনে এই বাতিলের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৩ হাজার ৮১০টিতে। যুদ্ধ শুরুর আগে এই বিমান সংস্থাগুলো ইউরোপ, আমেরিকা, কানাডা, ভারত, অস্ট্রেলিয়া, মালয়েশিয়া, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, সৌদি আরবসহ বিভিন্ন রুটে যাত্রী পরিবহন করত। তবে গত দশ দিনে মাত্র ৫০টি বিশেষ ফ্লাইট উড্ডয়ন করতে সক্ষম হয়েছে।
এই ফ্লাইট বাতিলের ফলে বিমান সংস্থাগুলোর কোটি কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে এবং বিশ্বজুড়ে ভ্রমণকারীদের জন্য চরম ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 


















