ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) এর সহসভাপতি (ভিপি) আবু সাদিক কায়েম বলেছেন, ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ হবে ন্যায়বিচার ও ইনসাফের রাষ্ট্র। তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন যে, জুলাই আন্দোলনের অন্যতম প্রধান সংগঠক ও মানবিক নেতা ডা. শফিকুর রহমানই হবেন আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী।
সোমবার (সোমবার) দুপুরে নীলফামারীর সৈয়দপুরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি আসন্ন নির্বাচনে ‘হ্যাঁ’ প্রতীকের পক্ষে ভোট চেয়ে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করেন। তিনি বলেন, জুলাই সনদের আইনি বৈধতা প্রদানের লক্ষ্যে যে গণভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে, সেখানে ‘হ্যাঁ’ প্রতীকের পক্ষে সকলের সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি। তিনি উল্লেখ করেন যে, দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে সাধারণ মানুষ ভোট দেওয়ার অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। তাই আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে ইনসাফের প্রতিনিধিকে নির্বাচিত করার জন্য তিনি আহ্বান জানান।
সাদিক কায়েম আরও বলেন, দেশের তরুণ প্রজন্ম এবং সমাজের সকল স্তরের মানুষ ন্যায়বিচারের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে একটি ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ শীঘ্রই প্রতিষ্ঠিত হবে।
ডাকসুর ভিপি বলেন, বর্তমানে দেশের সর্বস্তরের নাগরিক ন্যায়বিচারের প্রতীক দাঁড়িপাল্লা, শাপলা-কলি এবং ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশের প্রতিনিধিদের নির্বাচিত করতে উন্মুখ। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ডা. শফিকুর রহমানকে প্রধানমন্ত্রী বানানোর জন্য তারা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।
নীলফামারী-৪ আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী হাফেজ আব্দুল মুনতাকিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই পথসভায় ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম ছাড়াও রাকসুর ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ, জাকসুর এজিএস ফেরদৌস আল হাসান, ডাকসুর পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ, ইসলামী ছাত্রশিবির রংপুর মহানগর সভাপতি নুরুল হুদা এবং স্থানীয় জামায়াত ও শিবিরের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 























