ঢাকা ০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

‘হাতপাখাই ইনসাফের প্রতীক, ক্ষমতায় গেলে ৫৪ দিনেই আসবে পরিবর্তন’: চরমোনাই পীর

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:২৭:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ রেজাউল করিম বলেছেন, দেশে প্রকৃত ইনসাফ ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হলে পবিত্র শরিয়াহ আইনের বিকল্প নেই। তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশে একমাত্র ইসলামী আন্দোলনই শরিয়াহ ও ইনসাফের নীতিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং এই ইনসাফের প্রতীক হলো ‘হাতপাখা’।

রোববার লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি-কমলনগর) আসনে ইসলামী আন্দোলনের মনোনীত প্রার্থী খালেদ সাইফুল্লাহর সমর্থনে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বক্তব্যে সৈয়দ রেজাউল করিম বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কঠোর সমালোচনা করে বলেন, তারা মানুষকে যে ইনসাফের কথা শোনায়, তা পর্দার আড়ালে বিজাতীয় শক্তির সাথে আঁতাত করে বাস্তবায়নের চেষ্টা করে। এদেশের মানুষ এমন কোনো ইনসাফ দেখতে চায় না যা ইসলামের নাম দিয়ে বিদেশি শক্তির আজ্ঞাবহ হয়ে পরিচালিত হয়। তিনি আরও বলেন, শরিয়াহ আইন নিয়ে অনেকের মনে অহেতুক ভীতি থাকলেও মূলত ইসলাম মানেই শান্তি, আর শরিয়াহর মাধ্যমেই সেই শান্তি নিশ্চিত করা সম্ভব।

নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি দিয়ে চরমোনাই পীর বলেন, “বিগত ৫৪ বছর ধরে এদেশের মানুষ বিভিন্ন দলের শাসন দেখেছে। মানুষ ক্ষমতায় গিয়ে নিজেদের স্বার্থে মত্ত হয়ে পড়ে। কিন্তু দেশবাসী যদি একবার ইসলামী আন্দোলনকে বেছে নেয়, তবে আল্লাহর রহমতে ৫৪ বছরের পুঞ্জীভূত সমস্যা ৫৪ মাস নয়, মাত্র ৫৪ দিনেই পরিবর্তন করা সম্ভব হবে ইনশাআল্লাহ।”

লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের প্রার্থী খালেদ সাইফুল্লাহর প্রশংসা করে তিনি বলেন, তিনি একজন সৎ ও ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তি। দুইবার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেও তার গায়ে দুর্নীতির কোনো দাগ লাগেনি। রামগতি ও কমলনগরে ইনসাফ কায়েম করতে হলে তার মতো যোগ্য নেতৃত্ব প্রয়োজন। তাই আগামী নির্বাচনে তাকে হাতপাখা প্রতীকে জয়যুক্ত করে সংসদে পাঠানোর জন্য তিনি ভোটারদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।

জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মুফতি রেজাউল করিম আবরার ও মুফতি হাবিবুর রহমান মিজবাহ্। এছাড়া জেলা ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ ইব্রাহিম, সেক্রেটারি মাওলানা জহির উদ্দিন, জেলা নির্বাহী সদস্য মুফতি শরীফুর রহমান, যুব আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি একেএম আব্দুল জাহের আরেফী এবং জেলা যুব আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শোরাফ উদ্দিন স্বপনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ সভায় বক্তব্য প্রদান করেন। জনসভায় স্থানীয় বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপে তারকাদের স্বপ্নভঙ্গ: বেঞ্চেই কাটলো অনেকের টুর্নামেন্ট

‘হাতপাখাই ইনসাফের প্রতীক, ক্ষমতায় গেলে ৫৪ দিনেই আসবে পরিবর্তন’: চরমোনাই পীর

আপডেট সময় : ০৫:২৭:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ রেজাউল করিম বলেছেন, দেশে প্রকৃত ইনসাফ ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হলে পবিত্র শরিয়াহ আইনের বিকল্প নেই। তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশে একমাত্র ইসলামী আন্দোলনই শরিয়াহ ও ইনসাফের নীতিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং এই ইনসাফের প্রতীক হলো ‘হাতপাখা’।

রোববার লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি-কমলনগর) আসনে ইসলামী আন্দোলনের মনোনীত প্রার্থী খালেদ সাইফুল্লাহর সমর্থনে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বক্তব্যে সৈয়দ রেজাউল করিম বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কঠোর সমালোচনা করে বলেন, তারা মানুষকে যে ইনসাফের কথা শোনায়, তা পর্দার আড়ালে বিজাতীয় শক্তির সাথে আঁতাত করে বাস্তবায়নের চেষ্টা করে। এদেশের মানুষ এমন কোনো ইনসাফ দেখতে চায় না যা ইসলামের নাম দিয়ে বিদেশি শক্তির আজ্ঞাবহ হয়ে পরিচালিত হয়। তিনি আরও বলেন, শরিয়াহ আইন নিয়ে অনেকের মনে অহেতুক ভীতি থাকলেও মূলত ইসলাম মানেই শান্তি, আর শরিয়াহর মাধ্যমেই সেই শান্তি নিশ্চিত করা সম্ভব।

নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি দিয়ে চরমোনাই পীর বলেন, “বিগত ৫৪ বছর ধরে এদেশের মানুষ বিভিন্ন দলের শাসন দেখেছে। মানুষ ক্ষমতায় গিয়ে নিজেদের স্বার্থে মত্ত হয়ে পড়ে। কিন্তু দেশবাসী যদি একবার ইসলামী আন্দোলনকে বেছে নেয়, তবে আল্লাহর রহমতে ৫৪ বছরের পুঞ্জীভূত সমস্যা ৫৪ মাস নয়, মাত্র ৫৪ দিনেই পরিবর্তন করা সম্ভব হবে ইনশাআল্লাহ।”

লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের প্রার্থী খালেদ সাইফুল্লাহর প্রশংসা করে তিনি বলেন, তিনি একজন সৎ ও ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তি। দুইবার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেও তার গায়ে দুর্নীতির কোনো দাগ লাগেনি। রামগতি ও কমলনগরে ইনসাফ কায়েম করতে হলে তার মতো যোগ্য নেতৃত্ব প্রয়োজন। তাই আগামী নির্বাচনে তাকে হাতপাখা প্রতীকে জয়যুক্ত করে সংসদে পাঠানোর জন্য তিনি ভোটারদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।

জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মুফতি রেজাউল করিম আবরার ও মুফতি হাবিবুর রহমান মিজবাহ্। এছাড়া জেলা ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ ইব্রাহিম, সেক্রেটারি মাওলানা জহির উদ্দিন, জেলা নির্বাহী সদস্য মুফতি শরীফুর রহমান, যুব আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি একেএম আব্দুল জাহের আরেফী এবং জেলা যুব আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শোরাফ উদ্দিন স্বপনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ সভায় বক্তব্য প্রদান করেন। জনসভায় স্থানীয় বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।