শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে নিহত শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াত সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিমের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাতে এবং তার কবর জিয়ারত করতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান রবিবার (৩০ জানুয়ারি) শ্রীবরদী সফর করেছেন।
সকাল ১০টা ৫৮ মিনিটে হেলিকপ্টারযোগে শ্রীবরদী উপজেলার গড়জরিপা ইউনিয়নের গোপালখিলা স্কুল মাঠে অবতরণ করেন ডা. শফিকুর রহমান। সেখান থেকে তিনি চাউলিয়া গ্রামে নিহত রেজাউলের পারিবারিক কবরস্থানে যান। সেখানে তিনি মাওলানা রেজাউলের বাবা মাওলানা আব্দুল আজিজের সঙ্গে কবর জিয়ারত করেন এবং মোনাজাতে অংশ নেন।
কবর জিয়ারতের পর ডা. শফিকুর রহমান নিহত রেজাউলের বাড়িতে গিয়ে তার স্ত্রী-সন্তানদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের খোঁজখবর নেন এবং বিশেষ করে রেজাউলের অবুঝ সন্তানকে বুকে জড়িয়ে ধরেন।
এ সময় ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “নিহত রেজাউলের অবুঝ সন্তানকে আমি বুকে নিয়েছি। রেজাউলের আমানত আমি আপনাদের জিম্মায় রেখে গেলাম। আগামী ১২ তারিখ ভোটের মাধ্যমে আপনারা এর জবাব দেবেন।”
জামায়াত আমিরের এই সফরে তার সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সেক্রেটারি ও ময়মনসিংহ অঞ্চল পরিচালক ড. মো. ছামিউল হক ফারুকী, শেরপুর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মু. নুরুজ্জামান বাদল, শ্রীবরদী উপজেলা আমির আজাহারুল ইসলাম মিষ্টারসহ স্থানীয় জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী এবং এলাকাবাসী।
নির্ধারিত সফরসূচি অনুযায়ী, শ্রীবরদীতে রেজাউলের কবর জিয়ারত ও দোয়া শেষে ডা. শফিকুর রহমান ১২টা ২০ মিনিটে শেরপুরের দারোগা আলী পৌর পার্কের জনসভার উদ্দেশ্যে হেলিকপ্টারযোগে রওনা হন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে ঝিনাইগাতী মিনি স্টেডিয়াম মাঠে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে চেয়ার দখলকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। কয়েক দফা সংঘর্ষে জামায়াতে ইসলামীর শ্রীবরদী উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম গুরুতর আহত হন এবং পরে মারা যান।
রিপোর্টারের নাম 























