পূর্বাচলে অনুষ্ঠিত ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার সমাপনী দিনে জানা গেছে, এবারের মেলায় মোট ৩৯৩ কোটি টাকার পণ্য বিক্রি হয়েছে। এটি গত বছরের তুলনায় ৩ দশমিক ৪২ শতাংশ বেশি। মেলা চলাকালীন দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো প্রায় ২২৪ কোটি টাকার রপ্তানি আদেশও লাভ করেছে, যা দেশের অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।
গতকাল শনিবার বিকেলে বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে আয়োজিত সমাপনী অনুষ্ঠানে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়। মেলায় স্থানীয়ভাবে রেস্তোরাঁসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্যসামগ্রী এই বিপুল পরিমাণ বিক্রিতে সহায়তা করেছে।
রপ্তানি আদেশের ক্ষেত্রেও মেলা বড় সাফল্য এনে দিয়েছে। প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার বা ২২৪ কোটি টাকার সম্ভাব্য রপ্তানি আদেশ এসেছে আফগানিস্তান, সিঙ্গাপুর, হংকং, ইন্দোনেশিয়া, ভারত, পাকিস্তান, মালয়েশিয়া এবং তুরস্কের মতো দেশগুলো থেকে।
মেলায় বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআই-এর প্রশাসক ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আবদুর রহিম খান এবং রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ হাসান আরিফ।
এবারের মেলায় দেশি-বিদেশি মিলিয়ে মোট ৩২৯টি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করেছিল। এর মধ্যে ভারত, তুরস্ক, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, হংকং এবং মালয়েশিয়ার ১১টি প্রতিষ্ঠান ছিল।
মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে থেকে নির্মাণ কাঠামো, স্থাপত্য সৌন্দর্য, পণ্যের মান ও সেবা এবং পরিচ্ছন্নতার মতো বিভিন্ন সূচক বিবেচনা করে ৪০টি প্রতিষ্ঠানকে শ্রেষ্ঠত্বের পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে।
মেলায় কটেজ, মাইক্রো, ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বৃহৎ শিল্প খাতের অধীনে পোশাক, চামড়াজাত পণ্য, পাটজাত পণ্য, আসবাবপত্র, ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিকস সামগ্রী, প্রসাধন সামগ্রী, প্লাস্টিক ও হস্তশিল্পসহ নানা ধরনের পণ্য ও সেবা প্রদর্শিত ও বিক্রি হয়েছে, যা ক্রেতাদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
রিপোর্টারের নাম 

























