ঢাকা ১১:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

প্রত্যাশা ও প্রতিশ্রুতি: সীতাকুণ্ডের নির্বাচনে আসলাম চৌধুরীর স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া ও সামাজিক নিরাপত্তার অঙ্গীকার

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০২:১৯:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

আগামী ১২ তারিখের পৌরসভা নির্বাচনকে ঘিরে সীতাকুণ্ডে উৎসবের আমেজ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ধানের শীষ প্রতীকের মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক আসলাম চৌধুরী আশা প্রকাশ করেছেন যে, তরুণ ভোটারদের প্রথম ভোট এবং নারী ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এই নির্বাচনকে তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলবে। শুক্রবার সকালে সীতাকুণ্ড পৌর সদরে গণসংযোগকালে তিনি সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে বলেন, “আগামী ১২ তারিখের নির্বাচন তরুণ প্রজন্মের জন্য এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। এটি তাদের জীবনের প্রথম ভোট এবং তারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটকেন্দ্রে এসে তাদের মতামত জানাবে। শুধু তরুণরাই নয়, সকল বয়সী ভোটারদের অংশগ্রহণ এবার উল্লেখযোগ্য হবে।”

আসলাম চৌধুরী আরও বলেন, এবারের নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ জনগণ স্বাধীনভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে। তিনি ভোটারদের পরিবার-পরিজনসহ ভোটকেন্দ্রে এসে গণতন্ত্রের এই উৎসবে শামিল হওয়ার আহ্বান জানান। সীতাকুণ্ড পৌরসভার ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা তুলে ধরে তিনি বলেন, সুচিন্তিত পরিকল্পনা ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে এই পৌরসভাকে সমগ্র দেশের জন্য একটি মডেল হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। তিনি জোর দিয়ে বলেন, “সীতাকুণ্ড সম্প্রীতির জনপদ। এখানে কোনো প্রকার ধর্মীয় উগ্রবাদের স্থান নেই। যারা বিভেদ সৃষ্টি করে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল করতে চায়, তাদের কোনো উদ্দেশ্যই সফল হবে না।”

একই দিন বিকেলে চট্টগ্রাম নগরীর উত্তর পাহাড়তলী ও কর্নেল হাট এলাকায় আয়োজিত এক মহিলা সমাবেশে অধ্যাপক আসলাম চৌধুরী বলেন, দীর্ঘকাল ধরে নারী ও তরুণ প্রজন্ম তাদের পূর্ণাঙ্গ ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। এবারের নির্বাচন তাদের জন্য নতুন আশার সঞ্চার করেছে। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “কৃষি কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ডের মতো সুবিধাগুলোর পাশাপাশি সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই বিএনপি’র প্রধান লক্ষ্য।”

তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বিএনপি’র একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গীকার। তিনি বলেন, “আমাদের মা-বোনেরা যেন নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে চলাফেরা করতে পারে, সেই পরিবেশ তৈরি করাই আমাদের প্রধান প্রতিশ্রুতি।”

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্যে অস্ত্র চালানে যুক্তরাষ্ট্রের অনুরোধ তাইওয়ানের কাছে নেই

প্রত্যাশা ও প্রতিশ্রুতি: সীতাকুণ্ডের নির্বাচনে আসলাম চৌধুরীর স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া ও সামাজিক নিরাপত্তার অঙ্গীকার

আপডেট সময় : ০২:১৯:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

আগামী ১২ তারিখের পৌরসভা নির্বাচনকে ঘিরে সীতাকুণ্ডে উৎসবের আমেজ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ধানের শীষ প্রতীকের মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক আসলাম চৌধুরী আশা প্রকাশ করেছেন যে, তরুণ ভোটারদের প্রথম ভোট এবং নারী ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এই নির্বাচনকে তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলবে। শুক্রবার সকালে সীতাকুণ্ড পৌর সদরে গণসংযোগকালে তিনি সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে বলেন, “আগামী ১২ তারিখের নির্বাচন তরুণ প্রজন্মের জন্য এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। এটি তাদের জীবনের প্রথম ভোট এবং তারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটকেন্দ্রে এসে তাদের মতামত জানাবে। শুধু তরুণরাই নয়, সকল বয়সী ভোটারদের অংশগ্রহণ এবার উল্লেখযোগ্য হবে।”

আসলাম চৌধুরী আরও বলেন, এবারের নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ জনগণ স্বাধীনভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে। তিনি ভোটারদের পরিবার-পরিজনসহ ভোটকেন্দ্রে এসে গণতন্ত্রের এই উৎসবে শামিল হওয়ার আহ্বান জানান। সীতাকুণ্ড পৌরসভার ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা তুলে ধরে তিনি বলেন, সুচিন্তিত পরিকল্পনা ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে এই পৌরসভাকে সমগ্র দেশের জন্য একটি মডেল হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। তিনি জোর দিয়ে বলেন, “সীতাকুণ্ড সম্প্রীতির জনপদ। এখানে কোনো প্রকার ধর্মীয় উগ্রবাদের স্থান নেই। যারা বিভেদ সৃষ্টি করে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল করতে চায়, তাদের কোনো উদ্দেশ্যই সফল হবে না।”

একই দিন বিকেলে চট্টগ্রাম নগরীর উত্তর পাহাড়তলী ও কর্নেল হাট এলাকায় আয়োজিত এক মহিলা সমাবেশে অধ্যাপক আসলাম চৌধুরী বলেন, দীর্ঘকাল ধরে নারী ও তরুণ প্রজন্ম তাদের পূর্ণাঙ্গ ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। এবারের নির্বাচন তাদের জন্য নতুন আশার সঞ্চার করেছে। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “কৃষি কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ডের মতো সুবিধাগুলোর পাশাপাশি সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই বিএনপি’র প্রধান লক্ষ্য।”

তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বিএনপি’র একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গীকার। তিনি বলেন, “আমাদের মা-বোনেরা যেন নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে চলাফেরা করতে পারে, সেই পরিবেশ তৈরি করাই আমাদের প্রধান প্রতিশ্রুতি।”