ঢাকা-৪ আসনের বিএনপি প্রার্থী ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্যসচিব তানভীর আহমেদ রবিন বলেছেন, দেশের উন্নয়ন ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) তথা ধানের শীষের কোনো বিকল্প নেই। শুক্রবার রাজধানীর কদমতলী থানাধীন ৬০ নম্বর ওয়ার্ডে এক নির্বাচনি পথসভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
তানভীর আহমেদ রবিন বলেন, দেশের জন্মলগ্ন থেকেই বিএনপি নিরবচ্ছিন্নভাবে জাতির কল্যাণে কাজ করে আসছে এবং প্রতিটি সংকটময় মুহূর্তে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যখন রাষ্ট্রের দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তখন দেশ অর্থনৈতিকভাবে বিপর্যস্ত ছিল। সে সময়ে তিনি ‘একটি বাড়ি একটি খামার’, খাল খনন ও দুই ফসলি জমি সংক্রান্ত বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যান।
রবিন আরও বলেন, ১৯৯১ সালে বেগম খালেদা জিয়া যখন রাষ্ট্রক্ষমতায় আসেন, তখনও দেশ নানা সংকটে জর্জরিত ছিল। বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, কৃষকদলসহ দলের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠন এবং সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে তিনি দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করেন। সেই ধারাবাহিকতায় ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত দেশের উন্নয়ন আরও গতিশীল হয়।
ঢাকা-৪ আসনে বিএনপির অবদানের কথা তুলে ধরে রবিন বলেন, এই এলাকার মানুষ বেগম খালেদা জিয়া এবং বিএনপির অবদান আজীবন স্মরণ রাখবে। তিনি মন্তব্য করেন, জনগণের ভালোবাসায় তিনবার নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদের পর এলাকাবাসীর কল্যাণে আর কাউকে চিন্তা করতে দেখা যায়নি। ১৯৯১ সালে বিএনপি সরকার গঠনের পর সালাউদ্দিন আহমেদের তত্ত্বাবধানে এলাকায় নয়টি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, যেখানে স্থানীয় শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করছে। সে সময় এলাকায় কোনো হাসপাতাল না থাকলেও, পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলে একটি মা ও শিশু হাসপাতাল নির্মাণ করা হয়। এছাড়া এলাকার রাস্তাঘাট ও ধর্মীয় উপাসনালয়সহ যেসব উন্নয়ন হয়েছে, তার শতভাগই বিএনপি সরকারের সময়ে বাস্তবায়িত।
আগামী দিনের ঢাকা-৪ হবে একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও সম্ভাবনাময় এলাকা – এমন আশাবাদ ব্যক্ত করে তানভীর আহমেদ রবিন বলেন, বিগত সরকারের শাসনামলে এই এলাকার মানুষের জন্য কোনো কাজ করা হয়নি। যারা দায়িত্বে ছিলেন, তারা নিজেদের স্বার্থকেই বড় করে দেখেছেন, কারণ তাদের কেউই এই এলাকার সন্তান ছিলেন না। তিনি অঙ্গীকার করেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এলাকাবাসী তাকে নির্বাচিত করে সংসদে কথা বলার সুযোগ দিলে তিনি দিন-রাত পরিশ্রম করে মানুষের জন্য কাজ করবেন। তাঁর বাবার (সালাউদ্দিন আহমেদ) সূচনা করা উন্নয়নের ধারাবাহিকতা এগিয়ে নিয়ে ঢাকা-৪ আসনকে রাজধানীর মধ্যে একটি দৃষ্টান্তমূলক এলাকা হিসেবে গড়ে তোলারও প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
রিপোর্টারের নাম 
























