ঢাকা ১০:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনায় কানাডা নমনীয় নয়, বলছে অটোয়া

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০৩:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনায় কানাডা কোনো চাপের কাছে নতি স্বীকার করছে না, বরং একটি সমান অংশীদার হিসেবেই আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। অটোয়ায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।

মার্ক কার্নি বলেন, বাণিজ্য আলোচনায় উভয় পক্ষেরই নিজস্ব অবস্থান থাকে। কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান বুঝতে পারছে এবং একই সাথে উভয়ের জন্য সুবিধাজনক ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, কানাডা তাদের নিজস্ব স্বার্থ সম্পর্কে অবগত এবং যৌথ স্বার্থে কীভাবে তারা আরও শক্তিশালী হতে পারে, তা বিবেচনা করছে। বর্তমান সরকার বিভিন্ন বিষয় একসঙ্গে সামাল দিতে সক্ষম বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বাণিজ্য বিরোধ এবং সরাসরি লঙ্ঘনের মধ্যে একটি সুস্পষ্ট পার্থক্য তুলে ধরেন। তিনি ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়ামের ওপর আরোপিত শুল্ক, গাড়ির ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক এবং বনজ পণ্যের ওপর আরোপিত শুল্ককে ‘সাধারণ সমস্যা নয়, বরং লঙ্ঘন’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

কানাডার প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র কানাডার বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার এবং কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় বৃহত্তম অংশীদার। দুই দেশের মধ্যে গভীর পারস্পরিক নির্ভরশীলতা রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইসরায়েলি কারাগারে ফিলিস্তিনি বন্দিদের ওপর অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনায় কানাডা নমনীয় নয়, বলছে অটোয়া

আপডেট সময় : ১১:০৩:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনায় কানাডা কোনো চাপের কাছে নতি স্বীকার করছে না, বরং একটি সমান অংশীদার হিসেবেই আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। অটোয়ায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।

মার্ক কার্নি বলেন, বাণিজ্য আলোচনায় উভয় পক্ষেরই নিজস্ব অবস্থান থাকে। কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান বুঝতে পারছে এবং একই সাথে উভয়ের জন্য সুবিধাজনক ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, কানাডা তাদের নিজস্ব স্বার্থ সম্পর্কে অবগত এবং যৌথ স্বার্থে কীভাবে তারা আরও শক্তিশালী হতে পারে, তা বিবেচনা করছে। বর্তমান সরকার বিভিন্ন বিষয় একসঙ্গে সামাল দিতে সক্ষম বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বাণিজ্য বিরোধ এবং সরাসরি লঙ্ঘনের মধ্যে একটি সুস্পষ্ট পার্থক্য তুলে ধরেন। তিনি ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়ামের ওপর আরোপিত শুল্ক, গাড়ির ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক এবং বনজ পণ্যের ওপর আরোপিত শুল্ককে ‘সাধারণ সমস্যা নয়, বরং লঙ্ঘন’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

কানাডার প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র কানাডার বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার এবং কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় বৃহত্তম অংশীদার। দুই দেশের মধ্যে গভীর পারস্পরিক নির্ভরশীলতা রয়েছে।