প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ স্থগিত রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের সচিব এবং মহাপরিচালক বরাবর একটি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। মানবাধিকার সংগঠন ‘ল অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট’-এর পক্ষ থেকে সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবী এই নোটিশ প্রেরণ করেন।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সম্প্রতি প্রণীত ‘প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা নীতিমালা ২০২৬’-এ সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য যথাক্রমে ৮০% এবং ২০% কোটা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই নীতিমালা অনুযায়ী, সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য পৃথক প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা করা হয়েছে, যা মেধাভিত্তিক মূল্যায়নের মূল ধারণার পরিপন্থী।
আইনি নোটিশে আরও বলা হয়েছে যে, এই নীতিমালার অধীনে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক যে বৈষম্যমূলক ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে, তা সংবিধানের সমতা ও বৈষম্যবিরোধী নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এই ধরনের বিভাজন অযৌক্তিক, বৈষম্যমূলক এবং স্বেচ্ছাচারী বলে অভিহিত করা হয়েছে।
নোটিশে আরও বলা হয়েছে, সরকারিভাবে দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের জন্য উপবৃত্তি কার্যক্রম চালু থাকার পরিপ্রেক্ষিতে, মেধাভিত্তিক বৃত্তি পরীক্ষায় নতুন করে প্রাতিষ্ঠানিক কোটা আরোপ করা অযৌক্তিক। ২০২৬ সালের নীতিমালার অধীনে অনুষ্ঠিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হলে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অন্যায়ভাবে বৈষম্যের শিকার হবে, যা কোমলমতি শিক্ষার্থীদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
রিপোর্টারের নাম 


















