ঢাকা ১১:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

তারেক রহমান ক্ষমতায় এলে আ.লীগকে রাজনীতিতে সুযোগ: ধানের শীষে ভোট চেয়ে বিএনপির প্রার্থীর বক্তব্য ভাইরাল

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:২০:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

যশোর-৫ (মনিরামপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী রশীদ আহমাদের একটি বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সম্প্রতি এক নির্বাচনী জনসভায় দেওয়া ওই বক্তব্যে তাকে বলতে শোনা যায়, তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হলে আওয়ামী লীগকে পুনরায় রাজনীতি করার সুযোগ দেওয়া হবে। একইসঙ্গে, বর্তমান পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগের ভোট দেওয়ার সুযোগ না থাকায় ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তার এই মন্তব্য বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলে তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি করেছে।

ভবদহ এলাকায় অনুষ্ঠিত নির্বাচনী পথসভায় রশীদ আহমাদ তার বক্তব্যে দাবি করেন, ওই এলাকার অধিকাংশ মানুষই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তিনি বলেন, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলগুলোকে রাজনীতি করার সুযোগ দিয়েছিলেন। একইভাবে, তারেক রহমান রাষ্ট্রক্ষমতায় এলে আওয়ামী লীগকেও রাজনীতিতে ফেরার সুযোগ দেওয়া হবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন। তিনি আরও যোগ করেন, আওয়ামী লীগ সমর্থকরা নিজেদের আদর্শ ধরে রাখলেও, বর্তমান প্রেক্ষাপটে তাদের ধানের শীষে ভোট দেওয়া উচিত।

রশীদ আহমাদ পূর্বে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম (একাংশ)-এর জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বিএনপির শরিক দল থেকে মনোনয়ন লাভের পর তিনি ওই দল থেকে পদত্যাগ করে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদ গ্রহণ করেন এবং বর্তমানে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন। তিনি প্রয়াত মুফতি মো. ওয়াক্কাসের পুত্র।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রশীদ আহমাদের এই বক্তব্য তীব্র সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই এটিকে রাজনৈতিক কাণ্ডজ্ঞানহীন মন্তব্য হিসেবে আখ্যায়িত করছেন এবং আওয়ামী লীগের ভোটব্যাংককে নিজেদের দিকে টানার কৌশল হিসেবে দেখছেন। বিশেষ করে, ‘আওয়ামী লীগকে রাজনীতিতে ফেরানোর সুযোগ’ বিষয়ক মন্তব্যটি ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রে চলে এসেছে।

তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে রশীদ আহমাদ জানান, তার বক্তব্যটি ছিল মূলত ‘নিরপরাধ আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে’। তিনি দাবি করেন, বিএনপি প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাসী নয় এবং তার মন্তব্যটি একটি উদাহরণ হিসেবেই দেওয়া হয়েছিল। প্রতিপক্ষরা তার বক্তব্যকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ছাত্রদলের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের লাগাম টেনে ধরুন, অন্যথায় পরিণতি ভয়াবহ হবে: জামায়াত

তারেক রহমান ক্ষমতায় এলে আ.লীগকে রাজনীতিতে সুযোগ: ধানের শীষে ভোট চেয়ে বিএনপির প্রার্থীর বক্তব্য ভাইরাল

আপডেট সময় : ০৯:২০:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

যশোর-৫ (মনিরামপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী রশীদ আহমাদের একটি বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সম্প্রতি এক নির্বাচনী জনসভায় দেওয়া ওই বক্তব্যে তাকে বলতে শোনা যায়, তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হলে আওয়ামী লীগকে পুনরায় রাজনীতি করার সুযোগ দেওয়া হবে। একইসঙ্গে, বর্তমান পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগের ভোট দেওয়ার সুযোগ না থাকায় ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তার এই মন্তব্য বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলে তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি করেছে।

ভবদহ এলাকায় অনুষ্ঠিত নির্বাচনী পথসভায় রশীদ আহমাদ তার বক্তব্যে দাবি করেন, ওই এলাকার অধিকাংশ মানুষই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তিনি বলেন, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলগুলোকে রাজনীতি করার সুযোগ দিয়েছিলেন। একইভাবে, তারেক রহমান রাষ্ট্রক্ষমতায় এলে আওয়ামী লীগকেও রাজনীতিতে ফেরার সুযোগ দেওয়া হবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন। তিনি আরও যোগ করেন, আওয়ামী লীগ সমর্থকরা নিজেদের আদর্শ ধরে রাখলেও, বর্তমান প্রেক্ষাপটে তাদের ধানের শীষে ভোট দেওয়া উচিত।

রশীদ আহমাদ পূর্বে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম (একাংশ)-এর জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বিএনপির শরিক দল থেকে মনোনয়ন লাভের পর তিনি ওই দল থেকে পদত্যাগ করে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদ গ্রহণ করেন এবং বর্তমানে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন। তিনি প্রয়াত মুফতি মো. ওয়াক্কাসের পুত্র।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রশীদ আহমাদের এই বক্তব্য তীব্র সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই এটিকে রাজনৈতিক কাণ্ডজ্ঞানহীন মন্তব্য হিসেবে আখ্যায়িত করছেন এবং আওয়ামী লীগের ভোটব্যাংককে নিজেদের দিকে টানার কৌশল হিসেবে দেখছেন। বিশেষ করে, ‘আওয়ামী লীগকে রাজনীতিতে ফেরানোর সুযোগ’ বিষয়ক মন্তব্যটি ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রে চলে এসেছে।

তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে রশীদ আহমাদ জানান, তার বক্তব্যটি ছিল মূলত ‘নিরপরাধ আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে’। তিনি দাবি করেন, বিএনপি প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাসী নয় এবং তার মন্তব্যটি একটি উদাহরণ হিসেবেই দেওয়া হয়েছিল। প্রতিপক্ষরা তার বক্তব্যকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।