বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় যারা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ওপর নির্যাতন চালিয়েছিল, তারাই নতুন রূপে ফিরে এসে এবারের নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছে। এই পরিবর্তিত রূপের প্রার্থীরা দেশের নাগরিকদের জন্য কতটা নিরাপদ, তা নিয়েও দেশবাসীর কাছে প্রশ্ন রেখেছেন বিএনপির এই প্রভাবশালী নেতা।
জামায়াতে ইসলামীর প্রতি ইঙ্গিত করে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে একটি বিশেষ ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলের হাতেই এদেশের সনাতন ধর্মাবলম্বী ভাই-বোনেরা সবচেয়ে বেশি নিপীড়িত হয়েছিলেন এবং তাদের চরম ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছিল। এই ঐতিহাসিক সত্য সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পূর্বপুরুষেরা ভালোভাবেই জানেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, যারা সেদিন দেশের স্বাধীনতা চায়নি বা স্বাধীনতার বিশ্বাসী ছিল না, তারাই এমন নির্মম নির্যাতন চালিয়েছিল।
শুক্রবার নিজ নির্বাচনি এলাকা পেকুয়া সদরের বিশ্বাসপাড়ায় হিন্দু ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের লোকজনের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, আমাদের দলের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান এ দেশের সব ধর্মের মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিলেন। তিনি এ ভূখণ্ডে বসবাসকারী সবাইকে ‘বাংলাদেশি’ হিসেবে পরিচিতি দিয়েছিলেন।
আমরাও জাতি, ধর্ম বা বর্ণের ভিত্তিতে কোনো বিভেদ চাই না; বরং সবাই মিলে বাংলাদেশি হিসেবে ঐক্যবদ্ধভাবে বসবাস করতে চাই। পেকুয়া উপজেলা বিশ্বাসপাড়া পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক চন্দময় বিশ্বাস তিলকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় আরও বক্তব্য রাখেন পেকুয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি বাহাদুর শাহ, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কামরান জাদীদ মুকুট, বিশ্বাসপাড়া কেন্দ্রীয় দুর্গা মন্দিরের সভাপতি শিমুল বিশ্বাস, উপজেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের আহ্বায়ক রমেশ বিশ্বাস, উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি সুমন বিশ্বাস, উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অংতোয়াইচিং রাখাইন, বারবাকিয়া লোকনাথ মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি রিপন কান্তি নাথ, বারবাকিয়া সার্বজনীন দুর্গা মন্দিরের সভাপতি পরিতোষ নাথ এবং শিলখালী বিষ্ণু মন্দিরের সভাপতি মাস্টার অনিল কান্তি শিলসহ স্থানীয় বিভিন্ন মন্দির ও সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
রিপোর্টারের নাম 

























