ঢাকা ১১:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

মির্জা আব্বাসের অভিযোগ: প্রতিপক্ষ ব্যক্তিগত আক্রমণ করছে, নির্বাচন প্রকৌশলের চেষ্টা চলছে

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:২৫:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী মির্জা আব্বাস নির্বাচনী প্রচারে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত আক্রমণের অভিযোগ তুলেছেন এবং নির্বাচন প্রকৌশলের চেষ্টার বিষয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তিনি নতুন প্রার্থীদের আইন মেনে চলার এবং কাউকে ব্যক্তি-আঘাত না করার আহ্বান জানিয়েছেন। শুক্রবার রাজধানীর শান্তিনগরে গণসংযোগকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা আব্বাস বলেন, সাধারণত মানুষ ঘুম থেকে উঠে সৃষ্টিকর্তার নাম স্মরণ করে, কিন্তু তার নির্বাচনী এলাকার একজন প্রার্থী দিনের শুরুতেই তার নাম নিয়ে বিষোদ্গার করেন। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, অতীতে তিনি এর চেয়েও অনেক শক্তিশালী ও কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বীর মোকাবিলা করেছেন, কিন্তু তখন পারস্পরিক কাদা ছোড়াছুড়ি বা বিষোদ্গারের ঘটনা ঘটেনি।

তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এখন সারাদিন কেবল তার নামে অকথ্য ভাষায় কথা বলা হচ্ছে এবং তাকে উত্তেজিত করার চেষ্টা চলছে। তবে তিনি এসবকে পাত্তা দিচ্ছেন না, কারণ তিনি জীবনে বহু নির্বাচন মোকাবেলা করেছেন। তিনি প্রতিপক্ষকে ‘বাচ্চা ছেলে’ এবং নিজের সন্তানের মতো আখ্যায়িত করে তাদের কার্যক্রমকে গুরুত্বহীন করে দেখান।

শুক্রবার সকালে শান্তিনগরের ইস্টার্ন প্লাস মার্কেটে গণসংযোগের পর মির্জা আব্বাস পুরানা পল্টনের বধির স্কুলে এক অনুষ্ঠানে যোগ দেন। বিকেলে তিনি শান্তিনগর বাজার ও পীর সাহেবের গলিতে ধানের শীষের পক্ষে গণসংযোগ করেন। রাতে চামেলীবাগ গ্রীন পিস অ্যাপার্টমেন্টের মালিকদের সাথে নির্বাচনী মতবিনিময় সভায় অংশ নেওয়ার কথা ছিল তার।

সাবেক মন্ত্রী মির্জা আব্বাস জনগণের প্রতি শ্রদ্ধাশীল মন্তব্য করে বলেন, তিনি বিশ্বাস করেন জনগণ সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে। নির্বাচনকে ঘিরে যে উচ্ছ্বাস ও আবেগ সৃষ্টি হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি তার প্রতিফলন ঘটবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি ভালো থাকলেও পরবর্তীতে কী হবে তা তিনি জানেন না। তিনি কিছু প্রার্থীর কার্যকলাপ ও চালচলনে ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ বা নির্বাচন প্রকৌশলের চেষ্টার ইঙ্গিত দেখছেন। তিনি বলেন, বাস্তবতা অনুভব করতে হবে এবং নির্বাচনের ফলাফল পরিবর্তনের চেষ্টা চলছে। একটি বিশেষ গোষ্ঠী কিছু লোককে জয়ী করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ছাত্রদলের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের লাগাম টেনে ধরুন, অন্যথায় পরিণতি ভয়াবহ হবে: জামায়াত

মির্জা আব্বাসের অভিযোগ: প্রতিপক্ষ ব্যক্তিগত আক্রমণ করছে, নির্বাচন প্রকৌশলের চেষ্টা চলছে

আপডেট সময় : ০৭:২৫:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী মির্জা আব্বাস নির্বাচনী প্রচারে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত আক্রমণের অভিযোগ তুলেছেন এবং নির্বাচন প্রকৌশলের চেষ্টার বিষয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তিনি নতুন প্রার্থীদের আইন মেনে চলার এবং কাউকে ব্যক্তি-আঘাত না করার আহ্বান জানিয়েছেন। শুক্রবার রাজধানীর শান্তিনগরে গণসংযোগকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা আব্বাস বলেন, সাধারণত মানুষ ঘুম থেকে উঠে সৃষ্টিকর্তার নাম স্মরণ করে, কিন্তু তার নির্বাচনী এলাকার একজন প্রার্থী দিনের শুরুতেই তার নাম নিয়ে বিষোদ্গার করেন। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, অতীতে তিনি এর চেয়েও অনেক শক্তিশালী ও কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বীর মোকাবিলা করেছেন, কিন্তু তখন পারস্পরিক কাদা ছোড়াছুড়ি বা বিষোদ্গারের ঘটনা ঘটেনি।

তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এখন সারাদিন কেবল তার নামে অকথ্য ভাষায় কথা বলা হচ্ছে এবং তাকে উত্তেজিত করার চেষ্টা চলছে। তবে তিনি এসবকে পাত্তা দিচ্ছেন না, কারণ তিনি জীবনে বহু নির্বাচন মোকাবেলা করেছেন। তিনি প্রতিপক্ষকে ‘বাচ্চা ছেলে’ এবং নিজের সন্তানের মতো আখ্যায়িত করে তাদের কার্যক্রমকে গুরুত্বহীন করে দেখান।

শুক্রবার সকালে শান্তিনগরের ইস্টার্ন প্লাস মার্কেটে গণসংযোগের পর মির্জা আব্বাস পুরানা পল্টনের বধির স্কুলে এক অনুষ্ঠানে যোগ দেন। বিকেলে তিনি শান্তিনগর বাজার ও পীর সাহেবের গলিতে ধানের শীষের পক্ষে গণসংযোগ করেন। রাতে চামেলীবাগ গ্রীন পিস অ্যাপার্টমেন্টের মালিকদের সাথে নির্বাচনী মতবিনিময় সভায় অংশ নেওয়ার কথা ছিল তার।

সাবেক মন্ত্রী মির্জা আব্বাস জনগণের প্রতি শ্রদ্ধাশীল মন্তব্য করে বলেন, তিনি বিশ্বাস করেন জনগণ সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে। নির্বাচনকে ঘিরে যে উচ্ছ্বাস ও আবেগ সৃষ্টি হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি তার প্রতিফলন ঘটবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি ভালো থাকলেও পরবর্তীতে কী হবে তা তিনি জানেন না। তিনি কিছু প্রার্থীর কার্যকলাপ ও চালচলনে ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ বা নির্বাচন প্রকৌশলের চেষ্টার ইঙ্গিত দেখছেন। তিনি বলেন, বাস্তবতা অনুভব করতে হবে এবং নির্বাচনের ফলাফল পরিবর্তনের চেষ্টা চলছে। একটি বিশেষ গোষ্ঠী কিছু লোককে জয়ী করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।