আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও ২০২৬ সালের গণভোটকে কেন্দ্র করে সন্দ্বীপের উপকূলীয় অঞ্চল ও বিচ্ছিন্ন দ্বীপগুলোতে ব্যাপক নিরাপত্তা জোরদার করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। বিশেষ করে দুর্গম এলাকাগুলোতে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাহিনীর পক্ষ থেকে বিশেষ নজরদারি শুরু করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কোস্টগার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার এডমিরাল মো. জিয়াউল হক সন্দ্বীপের সার্বিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি জানান, সন্দ্বীপের বিশেষ ভৌগোলিক গুরুত্ব বিবেচনায় সেখানে ৩৫৩ জন প্রশিক্ষিত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। গত ১৮ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ নিরাপত্তা কার্যক্রম আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সন্দ্বীপের মূল ভূখণ্ডের পাশাপাশি নদীপথ ও বিচ্ছিন্ন চরের কেন্দ্রগুলোতে নির্বাচনি সরঞ্জাম পৌঁছানো এবং ভোটারদের নির্বিঘ্নে যাতায়াত নিশ্চিত করতে বাহিনীর টহল দল সার্বক্ষণিক সক্রিয় থাকবে। বিশেষ করে দুর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে যেকোনো ধরনের নাশকতা ঠেকাতে ড্রোন ব্যবহারের মাধ্যমে আকাশপথেও নজরদারি চালানো হবে।
নির্বাচনি সহিংসতা রোধে বাহিনীর অবস্থান স্পষ্ট করে কোস্টগার্ড প্রধান বলেন, “উপকূলীয় এলাকার সাধারণ মানুষ যেন নির্ভয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেটিই আমাদের মূল লক্ষ্য। যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা সহিংসতা দমনে কোস্টগার্ড ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করবে।”
একই দিনে অনুষ্ঠিতব্য গণভোট ও সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে সন্দ্বীপের জনগণের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এই পরিবেশ বজায় রাখতে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে কোস্টগার্ড। নৌপথে অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে এবং শান্তি বিঘ্নিত করার যেকোনো অপচেষ্টা নস্যাৎ করতে বাহিনীর গোয়েন্দা শাখা সজাগ রয়েছে বলে ব্রিফিংয়ে আশ্বস্ত করা হয়।
রিপোর্টারের নাম 
























