ঢাকা ০৫:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে সংশয়, আসন্ন নির্বাচনে ভোটারদের অংশগ্রহণ নিয়ে প্রশ্ন

গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় তরুণ প্রজন্মের আশা-আকাঙ্ক্ষা বরাবরই গুরুত্বপূর্ণ। তবে, বাংলাদেশের আসন্ন সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এই আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণের বাস্তবতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ শিক্ষার্থী সাদমান মুজতবা রাফিদ, যিনি একসময় পরিবারতান্ত্রিক শাসনের অবসান ঘটিয়ে গণতন্ত্রের বিজয় নিশ্চিত করতে প্রতিবাদ-বিক্ষোভে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন, তিনি এখন কিছুটা হতাশ। তার মনে ছিল একটি বৈষম্যহীন সমাজের স্বপ্ন, যেখানে লিঙ্গ, বর্ণ বা ধর্ম নির্বিশেষে সকলের জন্য সমান সুযোগ থাকবে। তিনি নীতিগত পরিবর্তন ও সংস্কারের প্রত্যাশা করেছিলেন, কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপট তাকে সেই স্বপ্ন থেকে অনেক দূরে বলে মনে হচ্ছে।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে রাফিদের মতো অনেক তরুণের মনেই এই প্রশ্ন জাগছে যে, তারা যে গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখেছিল, তা কি আদৌ পূরণ হবে? রাজনৈতিক অঙ্গনে বিরাজমান পরিস্থিতি এবং কাঙ্ক্ষিত সংস্কারের অভাব অনেককেই হতাশ করেছে। এই হতাশা আসন্ন নির্বাচনে ভোটারদের অংশগ্রহণের মাত্রাকে প্রভাবিত করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদিও নির্বাচন কমিশন ভোটদানের হার বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, কিন্তু রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও সুশাসনের অভাব ভোটারদের মধ্যে অনীহা তৈরি করতে পারে। এই নির্বাচন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হতে চলেছে, যেখানে তরুণ প্রজন্মের আশা-আকাঙ্ক্ষা এবং তাদের অংশগ্রহণ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নাবিক নয়, বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের দূত: নৌ প্রতিমন্ত্রী

গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে সংশয়, আসন্ন নির্বাচনে ভোটারদের অংশগ্রহণ নিয়ে প্রশ্ন

আপডেট সময় : ০৪:২১:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় তরুণ প্রজন্মের আশা-আকাঙ্ক্ষা বরাবরই গুরুত্বপূর্ণ। তবে, বাংলাদেশের আসন্ন সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এই আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণের বাস্তবতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ শিক্ষার্থী সাদমান মুজতবা রাফিদ, যিনি একসময় পরিবারতান্ত্রিক শাসনের অবসান ঘটিয়ে গণতন্ত্রের বিজয় নিশ্চিত করতে প্রতিবাদ-বিক্ষোভে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন, তিনি এখন কিছুটা হতাশ। তার মনে ছিল একটি বৈষম্যহীন সমাজের স্বপ্ন, যেখানে লিঙ্গ, বর্ণ বা ধর্ম নির্বিশেষে সকলের জন্য সমান সুযোগ থাকবে। তিনি নীতিগত পরিবর্তন ও সংস্কারের প্রত্যাশা করেছিলেন, কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপট তাকে সেই স্বপ্ন থেকে অনেক দূরে বলে মনে হচ্ছে।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে রাফিদের মতো অনেক তরুণের মনেই এই প্রশ্ন জাগছে যে, তারা যে গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখেছিল, তা কি আদৌ পূরণ হবে? রাজনৈতিক অঙ্গনে বিরাজমান পরিস্থিতি এবং কাঙ্ক্ষিত সংস্কারের অভাব অনেককেই হতাশ করেছে। এই হতাশা আসন্ন নির্বাচনে ভোটারদের অংশগ্রহণের মাত্রাকে প্রভাবিত করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদিও নির্বাচন কমিশন ভোটদানের হার বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, কিন্তু রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও সুশাসনের অভাব ভোটারদের মধ্যে অনীহা তৈরি করতে পারে। এই নির্বাচন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হতে চলেছে, যেখানে তরুণ প্রজন্মের আশা-আকাঙ্ক্ষা এবং তাদের অংশগ্রহণ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।