ভারতের ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে সিলেটে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশন। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় নগরীর দরগাহ গেট এলাকার একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সিলেটে নিযুক্ত ভারতের সহকারী হাইকমিশনার শ্রী অনিরুদ্ধ দাস দুই দেশের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ভারত-বাংলাদেশের বন্ধুত্বের ভিত্তি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে রচিত হয়েছে। ভৌগোলিক সান্নিধ্য ও অভিন্ন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের কারণে উভয় দেশ একে অপরের অবিচ্ছেদ্য অংশীদার। ভারত সর্বদা একটি শান্তিপূর্ণ, স্থিতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পাশে ছিল এবং ভবিষ্যতেও এই সমর্থন অব্যাহত থাকবে।
সহকারী হাইকমিশনার তাঁর বক্তব্যে ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি সার্বভৌম ও গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র হিসেবে ভারতের আত্মপ্রকাশের তাৎপর্য ব্যাখ্যা করেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, দুই দেশের তরুণ সমাজ, ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সম্ভাবনা এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা দক্ষিণ এশিয়ার সামগ্রিক উন্নয়নে শক্তিশালী ভূমিকা রাখবে। অনুষ্ঠানে সিলেটের জেলা প্রশাসক, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক কর্মীসহ সমাজের বিভিন্ন স্তরের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। আমন্ত্রিত অতিথিরা এই আয়োজনকে দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও মৈত্রীর বন্ধন সুদৃঢ় করার একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ হিসেবে অভিহিত করেন।
এর আগে সোমবার সকালে শাহজালাল উপশহরে অবস্থিত সহকারী হাইকমিশন প্রাঙ্গণে দিনের কর্মসূচির সূচনা করা হয়। সেখানে সিলেটে অধ্যয়নরত ভারতীয় মেডিকেল শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, যোগব্যায়াম, ধ্যান এবং দেশাত্মবোধক সংগীত পরিবেশিত হয়। দিনব্যাপী এসব অনুষ্ঠানমালার মাধ্যমে ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসের মর্যাদা রক্ষার পাশাপাশি প্রতিবেশী দুই রাষ্ট্রের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের নতুন মাত্রা প্রতিফলিত হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 

























