দীর্ঘ ২১ বছর পর বন্দরনগরী চট্টগ্রামে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)। আগামী ২৫ জানুয়ারি ঐতিহাসিক পলোগ্রাউন্ড মাঠে আয়োজিত বিএনপির নির্বাচনী মহাসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন তিনি। এই বিশাল জনসভাকে কেন্দ্র করে জনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে আগামী ২৪ ও ২৫ জানুয়ারি মহানগর এলাকায় সব ধরনের অস্ত্র, বিস্ফোরক দ্রব্য এবং অননুমোদিত ড্রোন উড্ডয়ন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) এক জরুরি গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সিএমপি কমিশনার হাসিব আজিজ এই নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।
সিএমপির নির্দেশনায় জানানো হয়েছে, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ অধ্যাদেশ, ১৯৭৮ অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি এই দুই দিন মহানগরে লাঠি, ছোরা, বন্দুক বা ইট-পাথর বহন করতে পারবে না। এমনকি রাষ্ট্রের নিরাপত্তাবিরোধী কোনো বস্তু প্রদর্শন বা প্ল্যাকার্ড ব্যবহারও দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। বিশেষ করে সমাবেশস্থল ও এর আশপাশে ড্রোনের মাধ্যমে যেকোনো ধরনের নজরদারি বা কার্যক্রম কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ও কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে পুলিশ প্রশাসন।
তারেক রহমান সর্বশেষ ২০০৫ সালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের প্রচারণায় লালদীঘি ময়দানে বক্তব্য দিয়েছিলেন। দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় পর তাঁর এই সফরকে ঘিরে চট্টগ্রামের বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। সমাবেশ সফল করতে পলোগ্রাউন্ড মাঠে মঞ্চ নির্মাণসহ যাবতীয় প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন। দলীয় সূত্রমতে, তারেক রহমান সমাবেশের একদিন আগেই চট্টগ্রামে পৌঁছাবেন, যা কর্মীদের মনোবল বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। সিএমপির এই কঠোর নিরাপত্তা অবস্থান মূলত জনসমুদ্রে যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতেই নেওয়া হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
রিপোর্টারের নাম 























