এনসিপির আহ্বায়ক ও ঢাকা-১১ আসনের ১০ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান কেবল ক্ষমতার পালাবদলের জন্য ছিল না; বরং এই বিপ্লব ছিল রাষ্ট্র সংস্কার, সামাজিক ইনসাফ এবং সাম্য প্রতিষ্ঠার। এবারের নির্বাচন হবে সেই আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের এবং ভূমিদস্যু, চাঁদাবাজ ও ঋণখেলাপিদের চূড়ান্তভাবে পরাজিত করার লড়াই।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) রাজধানীর নতুন বাজার এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে আয়োজিত এক পথসভায় নাহিদ ইসলাম এসব কথা বলেন। বাড্ডা, ভাটারা ও রামপুরা এলাকার ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, এ অঞ্চলের ছাত্র-জনতা বুকের রক্ত দিয়ে ফ্যাসিবাদকে প্রতিহত করেছে। সেই রক্তের মর্যাদা রক্ষায় কোনো নতুন ফ্যাসিস্টকে ক্ষমতায় বসতে দেওয়া হবে না। এক চাঁদাবাজ বিদায় নিয়ে অন্য কেউ সেই জায়গা দখল করবে—এমন পরিস্থিতির জন্য এ দেশের মানুষ জীবন দেয়নি।
নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, ছাত্র-জনতার স্বতঃস্ফূর্ত গণজোয়ার দেখে একটি স্বার্থান্বেষী মহল ভীত হয়ে পড়েছে। তারা সাধারণ মানুষের মধ্যে ভীতি সঞ্চার ও নানা অপপ্রচার চালিয়ে পরিবেশ ঘোলাটে করার চেষ্টা করছে। তবে কোনো ষড়যন্ত্রই জনগণের বিজয় রুখতে পারবে না উল্লেখ করে তিনি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ব্যালটের মাধ্যমে জবাব দেওয়ার আহ্বান জানান।
এর আগে দিনের শুরুতে নাহিদ ইসলাম বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় প্রাতঃভ্রমণে আসা নাগরিকদের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও গণসংযোগ করেন। পরবর্তীতে রাজধানীর বাঁশতলা থেকে রামপুরা পর্যন্ত একটি বিশাল গণমিছিল বের করা হয়। মিছিলে জামায়াতে ইসলামীর সাবেক প্রার্থী অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান উপস্থিত ছিলেন, যিনি এই আসন থেকে নিজের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নাহিদ ইসলামের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেছেন। পথসভা ও মিছিলে স্থানীয় বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন।
রিপোর্টারের নাম 






















