ঢাকা ০৭:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

গণতন্ত্র ও আওয়ামী লীগ একসাথে চলেনি: মির্জা ফখরুল

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আওয়ামী লীগ ও গণতন্ত্র কখনোই একসাথে যায়নি। তিনি উল্লেখ করেন যে, এই ধারা আওয়ামী লীগের জন্মের পর থেকেই বিদ্যমান।

মঙ্গলবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদপত্রের কালো দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, যখনই ফ্যাসিবাদ আক্রমণ করেছে, গণমাধ্যম কর্মীরা সাহসিকতার সাথে জনগণের সামনে তা তুলে ধরেছেন।

নিজেকে একজন উদার গণতন্ত্রবাদী হিসেবে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, তিনি ধর্ম, বর্ণ বা অন্য কোনো পরিচয়ের ভিত্তিতে বিভাজনের রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন না এবং সকল নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করার পক্ষে মত দেন। তিনি বিএনপিকে একটি গণতান্ত্রিক ও উদারপন্থি দল হিসেবে অভিহিত করে বলেন, দেশের মানুষের জন্য বিএনপিই সবচেয়ে নিরাপদ রাজনৈতিক শক্তি।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, সংবাদপত্রের কালো দিবস সাংবাদিক সমাজ ও গণতন্ত্রকামী মানুষের কাছে একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিন। তিনি স্মরণ করেন যে, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার সংগ্রামে সাংবাদিকরা সবসময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। কঠিন সময়ে সাংবাদিকরা শুধু সংবাদ পরিবেশনই করেননি, বরং আন্দোলন-সংগ্রামের কর্মীদের পাশেও দাঁড়িয়েছেন এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সত্য তুলে ধরতে সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন।

তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে দেশে এমন একটি পরিবেশ তৈরি হয়েছে যেখানে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে এবং বর্তমান সরকারও এ বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে কাজ করছে। এছাড়াও, তিনি বেকার সাংবাদিকদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে সরকার, সংবাদমাধ্যম মালিক এবং সংশ্লিষ্টদের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান। বন্ধ হয়ে যাওয়া সংবাদমাধ্যমের ঐতিহ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি নতুন সংবাদমাধ্যম প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির ওপরও তিনি জোর দেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হবিগঞ্জে দুই দফা সংঘর্ষে নিহত ২, পুরুষশূন্য ৪ গ্রাম

গণতন্ত্র ও আওয়ামী লীগ একসাথে চলেনি: মির্জা ফখরুল

আপডেট সময় : ০৪:৪৪:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আওয়ামী লীগ ও গণতন্ত্র কখনোই একসাথে যায়নি। তিনি উল্লেখ করেন যে, এই ধারা আওয়ামী লীগের জন্মের পর থেকেই বিদ্যমান।

মঙ্গলবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদপত্রের কালো দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, যখনই ফ্যাসিবাদ আক্রমণ করেছে, গণমাধ্যম কর্মীরা সাহসিকতার সাথে জনগণের সামনে তা তুলে ধরেছেন।

নিজেকে একজন উদার গণতন্ত্রবাদী হিসেবে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, তিনি ধর্ম, বর্ণ বা অন্য কোনো পরিচয়ের ভিত্তিতে বিভাজনের রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন না এবং সকল নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করার পক্ষে মত দেন। তিনি বিএনপিকে একটি গণতান্ত্রিক ও উদারপন্থি দল হিসেবে অভিহিত করে বলেন, দেশের মানুষের জন্য বিএনপিই সবচেয়ে নিরাপদ রাজনৈতিক শক্তি।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, সংবাদপত্রের কালো দিবস সাংবাদিক সমাজ ও গণতন্ত্রকামী মানুষের কাছে একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিন। তিনি স্মরণ করেন যে, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার সংগ্রামে সাংবাদিকরা সবসময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। কঠিন সময়ে সাংবাদিকরা শুধু সংবাদ পরিবেশনই করেননি, বরং আন্দোলন-সংগ্রামের কর্মীদের পাশেও দাঁড়িয়েছেন এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সত্য তুলে ধরতে সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন।

তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে দেশে এমন একটি পরিবেশ তৈরি হয়েছে যেখানে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে এবং বর্তমান সরকারও এ বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে কাজ করছে। এছাড়াও, তিনি বেকার সাংবাদিকদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে সরকার, সংবাদমাধ্যম মালিক এবং সংশ্লিষ্টদের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান। বন্ধ হয়ে যাওয়া সংবাদমাধ্যমের ঐতিহ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি নতুন সংবাদমাধ্যম প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির ওপরও তিনি জোর দেন।