নির্বাচনী দায়িত্ব পালনকালে ম্যাজিস্ট্রেটের উপর হামলার ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা না নিয়ে বরং ভুক্তভোগী কর্মকর্তাকে বদলি করার সিদ্ধান্তকে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভের সঙ্গে দেখছে। দলটি মনে করে, এই পদক্ষেপ সন্ত্রাসীদের শাস্তি দেওয়ার পরিবর্তে পুরস্কৃত করার শামিল, যা আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে অবাধ ও নিরপেক্ষ করার ক্ষেত্রে মারাত্মক অন্তরায় সৃষ্টি করবে।
বুধবার বিকেলে নির্বাচন কমিশন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের একটি প্রতিনিধি দল এই অভিযোগ উত্থাপন করে। প্রতিনিধি দলের নেতা ও সংগঠনের সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা ইউসুফ আশরাফ সাংবাদিকদের বলেন, নির্বাচন কমিশনকে তারা অবহিত করেছেন যে, নেত্রকোনা-১ (কলমাকান্দা-দুর্গাপুর) আসনে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার সময় স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা দায়িত্বরত ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) প্রকাশ্যে লাঞ্ছিত করেন। দেশজুড়ে বিষয়টি আলোচিত হলেও, দোষীদের বিচারের আওতায় না এনে বরং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকেই বদলি করা হয়েছে। এই ঘটনায় প্রশাসন ভুল বার্তা পাচ্ছে এবং একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের প্রভাব বিস্তারের সুযোগ তৈরি হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
সংবাদ ব্রিফিংয়ে মাওলানা ইউসুফ আশরাফ আরও বলেন, শুধু নেত্রকোনা নয়, ফরিদপুরসহ দেশের বিভিন্ন আসনে চিহ্নিত ও তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসীদের পরিকল্পিতভাবে জামিনে মুক্তি দিয়ে পুনরায় সক্রিয় করা হচ্ছে। এর ফলে দলটির প্রার্থীরা নিয়মিতভাবে হামলা ও হুমকির শিকার হচ্ছেন। কিন্তু অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার বা সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ পরিলক্ষিত হচ্ছে না।
পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দলে মাওলানা ইউসুফ আশরাফের সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন মাওলানা তোফাজ্জল হোসাইন মিয়াজি, মাওলানা আজিজুর রহমান হেলাল, মাওলানা মুহাম্মাদ ফয়সাল এবং মাওলানা হাসান জুনাইদ।
রিপোর্টারের নাম 
























