ঢাকা ১১:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা বন্ড কার্যকর, জামানত সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলার

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৩৬:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে ইচ্ছুক বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ব্যবসা ও পর্যটন ভিসার (বি১/বি২) ক্ষেত্রে নতুন শর্ত হিসেবে ‘ভিসা বন্ড’ বা আর্থিক জামানত প্রথা কার্যকর করতে যাচ্ছে মার্কিন সরকার। আগামী ২১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে কার্যকর হতে যাওয়া এই নিয়ম অনুযায়ী, যারা এই ক্যাটাগরির ভিসার জন্য অনুমোদিত হবেন, তাদের সর্বোচ্চ ১৫ হাজার মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৮ লাখ ৩৫ হাজার টাকা) পর্যন্ত জামানত জমা দিতে হতে পারে। তবে এই নতুন শর্তটি ২১ জানুয়ারির আগে ইস্যু করা বৈধ বি১/বি২ ভিসাধারীদের জন্য প্রযোজ্য হবে না এবং শিক্ষার্থীদের (এফ বা এম ভিসা) ক্ষেত্রেও কোনো বন্ডের প্রয়োজন নেই। ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস এক জরুরি বার্তায় আবেদনকারীদের বিশেষভাবে সতর্ক করে দিয়েছে যাতে তারা ভিসা সাক্ষাৎকারের আগে কোনো ধরনের অর্থ বা বন্ড পরিশোধ না করেন।

মার্কিন দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, এই জামানতের পরিমাণ মূলত ৫ হাজার, ১০ হাজার অথবা ১৫ হাজার ডলার হতে পারে, যা ভিসা সাক্ষাৎকারের সময় কনসুলার কর্মকর্তা নির্ধারণ করবেন। ভিসার শর্তাবলি যথাযথভাবে অনুসরণ করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করলে এই বন্ডের অর্থ স্বয়ংক্রিয়াভাবে ফেরত দেওয়া হবে। তবে অনুমোদিত সময়ের বেশি অবস্থান করলে, সময়মতো দেশত্যাগ না করলে বা সেখানে গিয়ে স্ট্যাটাস পরিবর্তনের আবেদন করলে জামানতের অর্থ বাজেয়াপ্ত করা হতে পারে। আবেদনকারীকে এই জামানত মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের অফিসিয়াল প্ল্যাটফর্ম ‘Pay.gov’-এর মাধ্যমে জমা দিতে হবে এবং সেই সঙ্গে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের ‘আই-৩৫২’ ফরমটি পূরণ করতে হবে।

দূতাবাস আরও স্পষ্ট করেছে যে, আগাম বন্ড পরিশোধ করা ভিসা পাওয়ার কোনো নিশ্চয়তা দেয় না এবং তৃতীয় কোনো ওয়েবসাইট বা পক্ষের মাধ্যমে অর্থ লেনদেন করলে তা প্রতারণামূলক হতে পারে। বন্ড প্রদানকারী যাত্রীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ ও বের হওয়ার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু বিমানবন্দর ব্যবহারের নিয়ম থাকতে পারে, যা যথাযথভাবে অনুসরণ না করলে অর্থ ফেরত পাওয়ার ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হতে পারে। মূলত ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর অবৈধভাবে অবস্থান বা ‘ওভারস্টে’ রোধ করার লক্ষ্যেই যুক্তরাষ্ট্র এই পাইলট কর্মসূচি গ্রহণ করেছে, যেখানে বাংলাদেশসহ আরও ৩৭টি দেশকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

Mahbub

জনপ্রিয় সংবাদ

বঙ্গোপসাগরে জলদস্যুদের তাণ্ডব: গুলিতে প্রাণ হারালেন কুতুবদিয়ার এক জেলে

২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা বন্ড কার্যকর, জামানত সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলার

আপডেট সময় : ০১:৩৬:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে ইচ্ছুক বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ব্যবসা ও পর্যটন ভিসার (বি১/বি২) ক্ষেত্রে নতুন শর্ত হিসেবে ‘ভিসা বন্ড’ বা আর্থিক জামানত প্রথা কার্যকর করতে যাচ্ছে মার্কিন সরকার। আগামী ২১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে কার্যকর হতে যাওয়া এই নিয়ম অনুযায়ী, যারা এই ক্যাটাগরির ভিসার জন্য অনুমোদিত হবেন, তাদের সর্বোচ্চ ১৫ হাজার মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৮ লাখ ৩৫ হাজার টাকা) পর্যন্ত জামানত জমা দিতে হতে পারে। তবে এই নতুন শর্তটি ২১ জানুয়ারির আগে ইস্যু করা বৈধ বি১/বি২ ভিসাধারীদের জন্য প্রযোজ্য হবে না এবং শিক্ষার্থীদের (এফ বা এম ভিসা) ক্ষেত্রেও কোনো বন্ডের প্রয়োজন নেই। ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস এক জরুরি বার্তায় আবেদনকারীদের বিশেষভাবে সতর্ক করে দিয়েছে যাতে তারা ভিসা সাক্ষাৎকারের আগে কোনো ধরনের অর্থ বা বন্ড পরিশোধ না করেন।

মার্কিন দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, এই জামানতের পরিমাণ মূলত ৫ হাজার, ১০ হাজার অথবা ১৫ হাজার ডলার হতে পারে, যা ভিসা সাক্ষাৎকারের সময় কনসুলার কর্মকর্তা নির্ধারণ করবেন। ভিসার শর্তাবলি যথাযথভাবে অনুসরণ করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করলে এই বন্ডের অর্থ স্বয়ংক্রিয়াভাবে ফেরত দেওয়া হবে। তবে অনুমোদিত সময়ের বেশি অবস্থান করলে, সময়মতো দেশত্যাগ না করলে বা সেখানে গিয়ে স্ট্যাটাস পরিবর্তনের আবেদন করলে জামানতের অর্থ বাজেয়াপ্ত করা হতে পারে। আবেদনকারীকে এই জামানত মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের অফিসিয়াল প্ল্যাটফর্ম ‘Pay.gov’-এর মাধ্যমে জমা দিতে হবে এবং সেই সঙ্গে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের ‘আই-৩৫২’ ফরমটি পূরণ করতে হবে।

দূতাবাস আরও স্পষ্ট করেছে যে, আগাম বন্ড পরিশোধ করা ভিসা পাওয়ার কোনো নিশ্চয়তা দেয় না এবং তৃতীয় কোনো ওয়েবসাইট বা পক্ষের মাধ্যমে অর্থ লেনদেন করলে তা প্রতারণামূলক হতে পারে। বন্ড প্রদানকারী যাত্রীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ ও বের হওয়ার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু বিমানবন্দর ব্যবহারের নিয়ম থাকতে পারে, যা যথাযথভাবে অনুসরণ না করলে অর্থ ফেরত পাওয়ার ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হতে পারে। মূলত ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর অবৈধভাবে অবস্থান বা ‘ওভারস্টে’ রোধ করার লক্ষ্যেই যুক্তরাষ্ট্র এই পাইলট কর্মসূচি গ্রহণ করেছে, যেখানে বাংলাদেশসহ আরও ৩৭টি দেশকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।