ঢাকা ০৬:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের সঙ্গে সরাসরি সংলাপে বসতে জোর তৎপরতা চালাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা নিরসনে এবং যুদ্ধবিরতির নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ইরানের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসতে বিশেষ তৎপরতা শুরু করেছে নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এই আলোচনার বিষয়ে অবগত একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র যখন পুনরায় আলোচনার টেবিলে ফেরার পথ খুঁজছে, ঠিক তখনই ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি রহস্যময় মন্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, আগামী দুই দিনের মধ্যে পাকিস্তানে বড় ধরনের কোনো ঘটনা ঘটতে পারে। তবে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা দেননি তিনি।

এর আগে গত সপ্তাহে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে দুই দেশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের মধ্যে একটি ম্যারাথন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় ২১ ঘণ্টা ধরে চলা সেই দীর্ঘ আলোচনার পরও যুদ্ধ বন্ধে কোনো কার্যকর চুক্তিতে পৌঁছাতে পারেনি দুই দেশের প্রতিনিধি দল। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের বর্তমান পদক্ষেপগুলো একটি কূটনৈতিক সমাধানের লক্ষ্যেই পরিচালিত হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

উখিয়ায় সংরক্ষিত বনভূমি দখল করে বহুতল ভবন নির্মাণের মহোৎসব

ইরানের সঙ্গে সরাসরি সংলাপে বসতে জোর তৎপরতা চালাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন

আপডেট সময় : ০৪:৫২:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা নিরসনে এবং যুদ্ধবিরতির নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ইরানের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসতে বিশেষ তৎপরতা শুরু করেছে নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এই আলোচনার বিষয়ে অবগত একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র যখন পুনরায় আলোচনার টেবিলে ফেরার পথ খুঁজছে, ঠিক তখনই ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি রহস্যময় মন্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, আগামী দুই দিনের মধ্যে পাকিস্তানে বড় ধরনের কোনো ঘটনা ঘটতে পারে। তবে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা দেননি তিনি।

এর আগে গত সপ্তাহে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে দুই দেশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের মধ্যে একটি ম্যারাথন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় ২১ ঘণ্টা ধরে চলা সেই দীর্ঘ আলোচনার পরও যুদ্ধ বন্ধে কোনো কার্যকর চুক্তিতে পৌঁছাতে পারেনি দুই দেশের প্রতিনিধি দল। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের বর্তমান পদক্ষেপগুলো একটি কূটনৈতিক সমাধানের লক্ষ্যেই পরিচালিত হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।