আগামী ৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নবম পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি করা না হলে সারা দেশে কঠোর কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোট। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জোটের প্রধান নেতা অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন আজীজি এই আলটিমেটাম প্রদান করেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে ৫ ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হবে এবং জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টার বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করা হবে। এরপরও সমাধান না এলে আরও কঠোর আন্দোলনের পথে হাঁটার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন আজীজি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ২০০৯ ও ২০১৫ সালের পর দীর্ঘ ১১ বছর পেরিয়ে গেলেও নতুন কোনো পে-স্কেল ঘোষণা করা হয়নি। নিয়মানুযায়ী এই সময়ের মধ্যে দুটি পে-স্কেল জারি হওয়ার কথা থাকলেও সরকারের দীর্ঘসূত্রতার কারণে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, বর্তমান উচ্চ মূল্যস্ফীতির বাজারে বেতন কাঠামো সংস্কার না করলে রাষ্ট্রীয় কার্যক্রমের স্বাভাবিক গতি ব্যাহত হতে পারে।
জোটের এই নেতা আরও উল্লেখ করেন, গত বছরের ২৭ জুলাই সাবেক অর্থ সচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে ‘জাতীয় বেতন কমিশন-২০২৫’ গঠন করা হয়েছিল। এই কমিশন ইতিমধ্যে বিভিন্ন পেশাজীবী ও অংশীজনদের মতামত গ্রহণ করে একটি অনলাইন প্রশ্নমালার মাধ্যমে মাঠপর্যায়ের প্রস্তাবনা সংগ্রহ করেছে। সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মাধ্যমিক কারিগরি শিক্ষক পরিষদের সভাপতি মো. মতিউর রহমান, বাংলাদেশ এমপিওভুক্ত শিক্ষক পরিষদের আহ্বায়ক মো. নুরুল আমিন হেলালী ও সভাপতি মো. মিজানুর রহমানসহ বিভিন্ন শিক্ষক সংগঠনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।
রিপোর্টারের নাম 

























