ফেনী-৩ (দাগনভূঞা-সোনাগাজী) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র ফিরে পেয়েছেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ মাসুদ। গত রবিবার (১৮ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের আপিল শুনানিতে তার প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করা হয়। এর আগে, একজন ভোটারকে ‘মৃত’ দাবি করে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তার মনোনয়নপত্র বাতিল করেছিলেন। কিন্তু আপিল শুনানিতে সেই ভোটারকে সশরীরে হাজির করে নিজের প্রার্থিতা পুনরুদ্ধার করেন মাসুদ।
জানা যায়, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য ৫ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর সম্বলিত সমর্থনপত্র জমা দেওয়ার নিয়ম অনুযায়ী, খালেদ মাহমুদ মাসুদ আনোয়ারা বেগম নামের এক ভোটারের স্বাক্ষর জমা দিয়েছিলেন। তবে ফেনী জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মনিরা হক যাচাই-বাছাইকালে আনোয়ারা বেগমকে মৃত দাবি করেন এবং তার স্বাক্ষর জাল করার অভিযোগ তুলে মাসুদের মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তার এই আদেশের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন খালেদ মাহমুদ মাসুদ। রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে আপিল শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানিতে খালেদ মাহমুদ মাসুদ ‘মৃত’ দাবি করা সেই ভোটার আনোয়ারা বেগমকে সরাসরি কমিশনের সামনে হাজির করেন।
এ প্রসঙ্গে খালেদ মাহমুদ মাসুদ জানান, যাকে মৃত দাবি করে তার বিরুদ্ধে স্বাক্ষর জালের অভিযোগ আনা হয়েছিল, সেই আনোয়ারা বেগম আসলে স্বাক্ষর দিতেই পারতেন না, তিনি আঙুলের ছাপ ব্যবহার করতেন। নির্বাচন কমিশন আনোয়ারা বেগমকে সশরীরে দেখে এবং সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে তার জমা দেওয়া মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে। এর মধ্য দিয়ে ফেনী-৩ আসনে তার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পথ সুগম হলো।
রিপোর্টারের নাম 
























