সম্প্রতি গণভবনে অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রীর নৈশভোজে ‘বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ’র চট্টগ্রাম মহানগর আহ্বায়ক হিসেবে পরিচিত মো. কামাল উদ্দিনের উপস্থিতি দেশজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। অতীতে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের কারণে ‘ব্যাটারি কামাল’ নামে পরিচিত এই ব্যক্তি কীভাবে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বলয় ভেদ করে প্রধানমন্ত্রীর সান্নিধ্যে পৌঁছালেন, তা নিয়ে দেশজুড়ে আলোচনা ও তদন্ত শুরু হয়েছে।
জানা গেছে, কামাল উদ্দিন একসময় ‘বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ’র চট্টগ্রাম মহানগর আহ্বায়ক ছিলেন এবং শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি গভীর আনুগত্য প্রকাশ করতেন। তবে তার বিরুদ্ধে চট্টগ্রামে সিন্ডিকেট, দখলবাজি, মদ্যপ অবস্থায় বাসিন্দাদের লাঞ্ছিত করা এবং ইয়াবা কারবারিসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগে তিনি একাধিক মামলার আসামি। এছাড়াও, তিনি ভুঁইফোঁড় সাংবাদিক ক্লাবের কথিত নেতা হিসেবেও পরিচিত এবং ভিজিটিং কার্ডে বিভিন্ন পত্রিকার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার পরিচয় ব্যবহার করতেন।
এমন বিতর্কিত এক ব্যক্তি কীভাবে প্রধানমন্ত্রীর নৈশভোজে অংশ নিলেন এবং প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে করমর্দনের ছবি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই গোয়েন্দা সংস্থা, প্রশাসন এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। নিরাপত্তা মহলগুলো এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং প্রশ্ন তুলেছে কীভাবে তিনি রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার এত কঠোর নজরদারি এড়াতে সক্ষম হলেন। এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত চলছে এবং এর পেছনের কারণ উদ্ঘাটনের চেষ্টা করা হচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 



















