ঢাকা ১২:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

পাকিস্তানে অতিবৃষ্টিতে বন্যা ও ভূমিধস: অন্তত ৩৭ জনের প্রাণহানি

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২৯:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

পাকিস্তানের বিভিন্ন অঞ্চলে অতিবৃষ্টির কারণে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে খাইবার পাখতুনখোয়া, গিলগিট-বালতিস্তান, আজাদ জম্মু ও কাশ্মীর এবং পাঞ্জাব প্রদেশ। এই দুর্যোগে বহু ঘরবাড়ি, ফসলি জমি, গবাদিপশু, সড়ক ও সেতুর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

গুজরানওয়ালা ও সিয়ালকোটসহ বেশ কয়েকটি জেলায় ভয়াবহ বৃষ্টিপাতের কারণে পরিস্থিতি আরও অবনতি হয়েছে। এর মধ্যে ভারত কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়াই সীমান্ত নদীগুলোতে অতিরিক্ত পানি ছেড়ে দেওয়ায় নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পায়। পাঞ্জাব প্রাদেশিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (পিডিএমএ) জানিয়েছে, মারালা ও খানকি হেডওয়ার্কস মাঝারি মাত্রার বন্যা এবং কাদিরাবাদ নিম্নমাত্রার বন্যা ঝুঁকিতে রয়েছে।

খাইবার পাখতুনখোয়ায় আকস্মিক বন্যা ও বৃষ্টিজনিত বিভিন্ন দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২০ জনে পৌঁছেছে। অন্যদিকে, পাঞ্জাবে মারা গেছেন ১৭ জন। এছাড়া, খাইবার পাখতুনখোয়া, গিলগিট-বালতিস্তান ও আজাদ কাশ্মীরে ভূমিধসে সড়ক, বসতবাড়ি ও কৃষিজমির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। পাকিস্তান আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৯ জুলাই থেকে শুরু হওয়া এই বৃষ্টিপাত ২৩ জুলাই পর্যন্ত খাইবার পাখতুনখোয়ায় অব্যাহত থাকতে পারে।

সর্বশেষ উত্তর ওয়াজিরিস্তানের তোচি নদীতে আকস্মিক বন্যার পানিতে ভেসে দুজন নিহত হয়েছেন। এর আগে আপার সাউথ ওয়াজিরিস্তানের সারারোগা তহসিলে বাড়ির ছাদ ধসে একই পরিবারের দুই শিশুসহ চারজন নিহত হয়েছিলেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশের ১০ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কতা জারি

পাকিস্তানে অতিবৃষ্টিতে বন্যা ও ভূমিধস: অন্তত ৩৭ জনের প্রাণহানি

আপডেট সময় : ১০:২৯:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

পাকিস্তানের বিভিন্ন অঞ্চলে অতিবৃষ্টির কারণে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে খাইবার পাখতুনখোয়া, গিলগিট-বালতিস্তান, আজাদ জম্মু ও কাশ্মীর এবং পাঞ্জাব প্রদেশ। এই দুর্যোগে বহু ঘরবাড়ি, ফসলি জমি, গবাদিপশু, সড়ক ও সেতুর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

গুজরানওয়ালা ও সিয়ালকোটসহ বেশ কয়েকটি জেলায় ভয়াবহ বৃষ্টিপাতের কারণে পরিস্থিতি আরও অবনতি হয়েছে। এর মধ্যে ভারত কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়াই সীমান্ত নদীগুলোতে অতিরিক্ত পানি ছেড়ে দেওয়ায় নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পায়। পাঞ্জাব প্রাদেশিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (পিডিএমএ) জানিয়েছে, মারালা ও খানকি হেডওয়ার্কস মাঝারি মাত্রার বন্যা এবং কাদিরাবাদ নিম্নমাত্রার বন্যা ঝুঁকিতে রয়েছে।

খাইবার পাখতুনখোয়ায় আকস্মিক বন্যা ও বৃষ্টিজনিত বিভিন্ন দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২০ জনে পৌঁছেছে। অন্যদিকে, পাঞ্জাবে মারা গেছেন ১৭ জন। এছাড়া, খাইবার পাখতুনখোয়া, গিলগিট-বালতিস্তান ও আজাদ কাশ্মীরে ভূমিধসে সড়ক, বসতবাড়ি ও কৃষিজমির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। পাকিস্তান আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৯ জুলাই থেকে শুরু হওয়া এই বৃষ্টিপাত ২৩ জুলাই পর্যন্ত খাইবার পাখতুনখোয়ায় অব্যাহত থাকতে পারে।

সর্বশেষ উত্তর ওয়াজিরিস্তানের তোচি নদীতে আকস্মিক বন্যার পানিতে ভেসে দুজন নিহত হয়েছেন। এর আগে আপার সাউথ ওয়াজিরিস্তানের সারারোগা তহসিলে বাড়ির ছাদ ধসে একই পরিবারের দুই শিশুসহ চারজন নিহত হয়েছিলেন।