ঢাকা ১২:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রযুক্তিনির্ভর অভিযানে ২৪৪ মোবাইল ও ৪০ হাজার টাকা উদ্ধার

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্প এবং সংলগ্ন এলাকায় প্রযুক্তিনির্ভর অভিযান পরিচালনা করে গত এক বছরে ২৪৪টি হারানো মোবাইল ফোন এবং বিকাশ জালিয়াতির মাধ্যমে আত্মসাৎ করা ৪০ হাজার টাকা উদ্ধার করেছে ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। এসব উদ্ধারকৃত মুঠোফোন ও অর্থ যাচাই-বাছাই শেষে প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

১৬ এপিবিএন সূত্রে জানা গেছে, রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এর অংশ হিসেবে বিশেষ করে নয়াপাড়া, লেদা, শামলাপুর ও জাদিমুরা রোহিঙ্গা ক্যাম্প এবং এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় সাইবার নজরদারি ও প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশিং জোরদার করা হয়েছে। ক্যাম্প ও সংলগ্ন এলাকায় বসবাসরত রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অপরাধ দমন, হারানো মোবাইল উদ্ধার এবং মোবাইল ব্যাংকিং প্রতারণা প্রতিরোধে ব্যাটালিয়নের বিশেষ টিম নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে।

ব্যাটালিয়নের বিশেষায়িত ‘সাইবার টিম’ সাধারণ ডায়েরির (জিডি) ভিত্তিতে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে বিভিন্ন সময়ে হারিয়ে যাওয়া বা খোয়ানো মোট ২৪৪টি মোবাইল ফোন এবং বিকাশ প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎ করা ৪০ হাজার টাকা শনাক্ত ও উদ্ধার করে। যথাযথ প্রক্রিয়া শেষে এসব মোবাইল ফোন ও উদ্ধারকৃত অর্থ প্রকৃত মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হলে ভুক্তভোগীরা সন্তোষ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এ বিষয়ে ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ কাউছার সিকদার জানান, রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও পার্শ্ববর্তী উখিয়া–টেকনাফ এলাকায় অপরাধ দমনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশিংয়ের মাধ্যমে মোবাইল হারানো, অনলাইন ও মোবাইল ব্যাংকিং প্রতারণা প্রতিরোধের পাশাপাশি সন্ত্রাস, মাদক ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে ১৬ এপিবিএন নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে। সাইবার টিমের এই সাফল্য জননিরাপত্তা নিশ্চিতে তাদের সক্ষমতার এক গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত।

তিনি আরও বলেন, এ ধরনের প্রযুক্তিনির্ভর ও জনবান্ধব কার্যক্রম সাধারণ জনগণের মধ্যে পুলিশের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস আরও সুদৃঢ় করছে। ভবিষ্যতেও রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও সীমান্তবর্তী টেকনাফ অঞ্চলে জনসেবামূলক কার্যক্রমকে আরও আধুনিক, গতিশীল ও কার্যকর করতে ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ম্যাকে নতুন ডিজাইনের হোয়াটসঅ্যাপ: আইফোনের মতো অভিজ্ঞতা

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রযুক্তিনির্ভর অভিযানে ২৪৪ মোবাইল ও ৪০ হাজার টাকা উদ্ধার

আপডেট সময় : ১১:৩৮:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্প এবং সংলগ্ন এলাকায় প্রযুক্তিনির্ভর অভিযান পরিচালনা করে গত এক বছরে ২৪৪টি হারানো মোবাইল ফোন এবং বিকাশ জালিয়াতির মাধ্যমে আত্মসাৎ করা ৪০ হাজার টাকা উদ্ধার করেছে ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। এসব উদ্ধারকৃত মুঠোফোন ও অর্থ যাচাই-বাছাই শেষে প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

১৬ এপিবিএন সূত্রে জানা গেছে, রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এর অংশ হিসেবে বিশেষ করে নয়াপাড়া, লেদা, শামলাপুর ও জাদিমুরা রোহিঙ্গা ক্যাম্প এবং এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় সাইবার নজরদারি ও প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশিং জোরদার করা হয়েছে। ক্যাম্প ও সংলগ্ন এলাকায় বসবাসরত রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অপরাধ দমন, হারানো মোবাইল উদ্ধার এবং মোবাইল ব্যাংকিং প্রতারণা প্রতিরোধে ব্যাটালিয়নের বিশেষ টিম নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে।

ব্যাটালিয়নের বিশেষায়িত ‘সাইবার টিম’ সাধারণ ডায়েরির (জিডি) ভিত্তিতে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে বিভিন্ন সময়ে হারিয়ে যাওয়া বা খোয়ানো মোট ২৪৪টি মোবাইল ফোন এবং বিকাশ প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎ করা ৪০ হাজার টাকা শনাক্ত ও উদ্ধার করে। যথাযথ প্রক্রিয়া শেষে এসব মোবাইল ফোন ও উদ্ধারকৃত অর্থ প্রকৃত মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হলে ভুক্তভোগীরা সন্তোষ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এ বিষয়ে ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ কাউছার সিকদার জানান, রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও পার্শ্ববর্তী উখিয়া–টেকনাফ এলাকায় অপরাধ দমনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশিংয়ের মাধ্যমে মোবাইল হারানো, অনলাইন ও মোবাইল ব্যাংকিং প্রতারণা প্রতিরোধের পাশাপাশি সন্ত্রাস, মাদক ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে ১৬ এপিবিএন নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে। সাইবার টিমের এই সাফল্য জননিরাপত্তা নিশ্চিতে তাদের সক্ষমতার এক গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত।

তিনি আরও বলেন, এ ধরনের প্রযুক্তিনির্ভর ও জনবান্ধব কার্যক্রম সাধারণ জনগণের মধ্যে পুলিশের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস আরও সুদৃঢ় করছে। ভবিষ্যতেও রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও সীমান্তবর্তী টেকনাফ অঞ্চলে জনসেবামূলক কার্যক্রমকে আরও আধুনিক, গতিশীল ও কার্যকর করতে ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।