ঢাকা ১২:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শাবিপ্রবির ‘শাকসু’ নির্বাচন স্থগিত করে হাইকোর্টের আদেশ

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচনের ওপর স্থগিতাদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। সোমবার উচ্চ আদালতের একটি বেঞ্চ এই আদেশ প্রদান করেন। আদালতের এই নির্দেশনার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ছাত্র সংসদ নির্বাচনের প্রক্রিয়া আপাতত থমকে গেল।

এর আগে, শাকসু নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মহলে অস্থিরতা দেখা দেয়। বিশেষ করে বিএনপিপন্থী শিক্ষকরা নির্বাচনের যাবতীয় কার্যক্রম থেকে নিজেদের সরিয়ে রাখার ঘোষণা দিয়েছিলেন। তাদের অভিযোগ ছিল, নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করলে একটি বিশেষ মহলের পক্ষ থেকে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তাদের দিকে তোলা হয়। মূলত এই ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত বিতর্ক ও পাল্টাপাল্টি অভিযোগ এড়াতেই তারা নির্বাচন পরিচালনা প্রক্রিয়া থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নেন।

একই সঙ্গে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য সাধারণ শিক্ষকদেরও সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পরিবেশ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচনের কোনো ধরনের দায়িত্ব পালন না করার আহ্বান জানান। শিক্ষকদের এই অনীহা এবং আইনি জটিলতার প্রেক্ষিতে হাইকোর্টের এই স্থগিতাদেশ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাজনীতি ও প্রশাসনিক মহলে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। আদালতের পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত শাকসু নির্বাচনের ভাগ্য অনিশ্চিত হয়ে পড়ল।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জগন্নাথের বেদখল হল উদ্ধারে সব ধরনের আইনি সহায়তার আশ্বাস এমপি হামিদের

শাবিপ্রবির ‘শাকসু’ নির্বাচন স্থগিত করে হাইকোর্টের আদেশ

আপডেট সময় : ০২:৪৯:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচনের ওপর স্থগিতাদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। সোমবার উচ্চ আদালতের একটি বেঞ্চ এই আদেশ প্রদান করেন। আদালতের এই নির্দেশনার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ছাত্র সংসদ নির্বাচনের প্রক্রিয়া আপাতত থমকে গেল।

এর আগে, শাকসু নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মহলে অস্থিরতা দেখা দেয়। বিশেষ করে বিএনপিপন্থী শিক্ষকরা নির্বাচনের যাবতীয় কার্যক্রম থেকে নিজেদের সরিয়ে রাখার ঘোষণা দিয়েছিলেন। তাদের অভিযোগ ছিল, নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করলে একটি বিশেষ মহলের পক্ষ থেকে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তাদের দিকে তোলা হয়। মূলত এই ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত বিতর্ক ও পাল্টাপাল্টি অভিযোগ এড়াতেই তারা নির্বাচন পরিচালনা প্রক্রিয়া থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নেন।

একই সঙ্গে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য সাধারণ শিক্ষকদেরও সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পরিবেশ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচনের কোনো ধরনের দায়িত্ব পালন না করার আহ্বান জানান। শিক্ষকদের এই অনীহা এবং আইনি জটিলতার প্রেক্ষিতে হাইকোর্টের এই স্থগিতাদেশ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাজনীতি ও প্রশাসনিক মহলে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। আদালতের পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত শাকসু নির্বাচনের ভাগ্য অনিশ্চিত হয়ে পড়ল।