ঢাকা ০৬:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জেন-জি হাসিনার মিথ ভেঙে দিয়েছে, একশো বছরে এমন ঘটনা বিরল : চিফ প্রসিকিউটর

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেছেন, শেখ হাসিনার ন্যারেটিভ দেশকে খাদের তলায় নিয়ে যায়, কিন্তু জেন-জিরা অতীতের সেই মিথ ভেঙে দিয়েছে। একশো বছরে এমন ঘটনা বিরল।

শনিবার (২৫ অক্টোবর) রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে দৈনিক নয়া দিগন্ত পত্রিকার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই কথাগুলো বলেন।

তাজুল ইসলাম বলেন, “আগে সাংবাদিকতা ছিল একটা তোষামোদি শিল্প। প্রশ্নবাণে জর্জরিত করার বদলে উল্টো তৈলমর্দন করা হতো। হাসিনাকে জিজ্ঞেস করা হতো, আপনি কেন নোবেল পুরস্কার পাচ্ছেন না? আমরা যে কথাগুলো ইনিয়ে-বিনিয়ে বলতে চাইতাম, জেন-জি প্রজন্ম তা স্রেফ একটা সংলাপেই বলে দিয়েছে।”

জেন-জি প্রজন্মের প্রশংসা করে চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, “জুলাই বিপ্লবের সময় জেন-জির নেটওয়ার্কিং ছিল কল্পনারও বাইরে। আমরা এই জেন-জি প্রজন্মকে ‘ফার্মের মুরগি’ বলতাম, অথচ তারা যেন আবাবিল পাখি। তারা শুধু স্বৈরাচারের পতনই ঘটায়নি, একেবারে দিল্লি পর্যন্ত তাড়িয়ে নিয়ে গেছে।”

তিনি বলেন, “নয়া দিগন্তকে নতুন প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষা বুঝতে হবে। সময়ের সাথে খাপ খাইয়ে টিকে থাকতে না পারলে এই পত্রিকার অবস্থাও ইত্তেফাকের মতো হয়ে যাবে। আমাদের পত্রপত্রিকাগুলো বিগত সরকারের আমলের ভয়ের সংস্কৃতিকে তুলে ধরতে পারেনি। এখন গণমাধ্যমের দায়িত্ব হলো সেই বিষয়গুলো সামনে নিয়ে আসা, যাতে গুমের মতো ঘটনা আর কখনো না ঘটে। শহীদদের কথা তুলে ধরতে হবে। তা না হলে আগামী বাংলাদেশে বাস করার অধিকার আমাদের থাকবে না।”

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত ইফতার মাহফিলে যোগদান

জেন-জি হাসিনার মিথ ভেঙে দিয়েছে, একশো বছরে এমন ঘটনা বিরল : চিফ প্রসিকিউটর

আপডেট সময় : ০৩:০৮:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৫

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেছেন, শেখ হাসিনার ন্যারেটিভ দেশকে খাদের তলায় নিয়ে যায়, কিন্তু জেন-জিরা অতীতের সেই মিথ ভেঙে দিয়েছে। একশো বছরে এমন ঘটনা বিরল।

শনিবার (২৫ অক্টোবর) রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে দৈনিক নয়া দিগন্ত পত্রিকার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই কথাগুলো বলেন।

তাজুল ইসলাম বলেন, “আগে সাংবাদিকতা ছিল একটা তোষামোদি শিল্প। প্রশ্নবাণে জর্জরিত করার বদলে উল্টো তৈলমর্দন করা হতো। হাসিনাকে জিজ্ঞেস করা হতো, আপনি কেন নোবেল পুরস্কার পাচ্ছেন না? আমরা যে কথাগুলো ইনিয়ে-বিনিয়ে বলতে চাইতাম, জেন-জি প্রজন্ম তা স্রেফ একটা সংলাপেই বলে দিয়েছে।”

জেন-জি প্রজন্মের প্রশংসা করে চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, “জুলাই বিপ্লবের সময় জেন-জির নেটওয়ার্কিং ছিল কল্পনারও বাইরে। আমরা এই জেন-জি প্রজন্মকে ‘ফার্মের মুরগি’ বলতাম, অথচ তারা যেন আবাবিল পাখি। তারা শুধু স্বৈরাচারের পতনই ঘটায়নি, একেবারে দিল্লি পর্যন্ত তাড়িয়ে নিয়ে গেছে।”

তিনি বলেন, “নয়া দিগন্তকে নতুন প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষা বুঝতে হবে। সময়ের সাথে খাপ খাইয়ে টিকে থাকতে না পারলে এই পত্রিকার অবস্থাও ইত্তেফাকের মতো হয়ে যাবে। আমাদের পত্রপত্রিকাগুলো বিগত সরকারের আমলের ভয়ের সংস্কৃতিকে তুলে ধরতে পারেনি। এখন গণমাধ্যমের দায়িত্ব হলো সেই বিষয়গুলো সামনে নিয়ে আসা, যাতে গুমের মতো ঘটনা আর কখনো না ঘটে। শহীদদের কথা তুলে ধরতে হবে। তা না হলে আগামী বাংলাদেশে বাস করার অধিকার আমাদের থাকবে না।”