ঢাকা ০২:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

ট্রাম্পের সামরিক বার্তা ইরানে অস্থিরতা বাড়াচ্ছে: জাতিসংঘ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫৭:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

জাতিসংঘে বৃহস্পতিবার এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামরিক হুমকি ইরানের বর্তমান পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলছে। গত সপ্তাহে ইরানে সরকারবিরোধী বড় বিক্ষোভ দেখা গিয়েছিল, যা ইন্টারনেট বিভ্রাট এবং কঠোর দমন-পীড়নের কারণে কিছুটা স্তিমিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই সতর্ক করেছে যে, যদি বিক্ষোভে আটক ব্যক্তিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়, তবে তা সামরিক পদক্ষেপের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সহ-সচিব মার্থা পোবী বলেন, “ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক হামলার বিভিন্ন প্রকাশ্য বক্তব্য আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করেছি। এটি ইতিমধ্যেই উত্তপ্ত পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করছে। পরিস্থিতি যাতে আরও খারাপ না হয়, সে জন্য সব ধরনের প্রচেষ্টা নেওয়া উচিত।”

ইরানের প্রতিনিধি গোলামহোসেইন দারজী যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে “শান্তিপ্রিয় বিক্ষোভকে ভূ-রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার” অভিযোগ এনেছেন।

জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের আমন্ত্রণে বক্তব্য রাখেন ইরানি-আমেরিকান সাংবাদিক মাসিহ আলিনেজাদ। তিনি বলেন, “সমস্ত ইরানিরা ধর্মীয় শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ। লক্ষ লক্ষ মানুষ রাস্তায় নেমেছিল তাদের অর্থ চুরি বন্ধ করার দাবি জানাতে, যা হামাস, হিজবুল্লাহ এবং হুথি যোদ্ধাদের জন্য পাঠানো হচ্ছে।”

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের আদালত সম্প্রতি আলিনেজাদকে হত্যার ষড়যন্ত্রে অভিযুক্ত দুই ব্যক্তিকে ২৫ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, এই ষড়যন্ত্রের পেছনে ইরানের হাত ছিল।

জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ বলেছেন, “যুক্তরাষ্ট্র সাহসী ইরানিদের পাশে দাঁড়িয়েছে। ইরানি শাসকগোষ্ঠী জনগণের ওপর যে দমন-পীড়ন চালাচ্ছে, তার প্রভাব আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্যও বিপজ্জনক।”

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক্ষ্মীপুরে স্কুলছাত্রের মৃত্যু: অধ্যক্ষসহ ১৮ জনের নামে হত্যা মামলা

ট্রাম্পের সামরিক বার্তা ইরানে অস্থিরতা বাড়াচ্ছে: জাতিসংঘ

আপডেট সময় : ১০:৫৭:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

জাতিসংঘে বৃহস্পতিবার এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামরিক হুমকি ইরানের বর্তমান পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলছে। গত সপ্তাহে ইরানে সরকারবিরোধী বড় বিক্ষোভ দেখা গিয়েছিল, যা ইন্টারনেট বিভ্রাট এবং কঠোর দমন-পীড়নের কারণে কিছুটা স্তিমিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই সতর্ক করেছে যে, যদি বিক্ষোভে আটক ব্যক্তিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়, তবে তা সামরিক পদক্ষেপের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সহ-সচিব মার্থা পোবী বলেন, “ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক হামলার বিভিন্ন প্রকাশ্য বক্তব্য আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করেছি। এটি ইতিমধ্যেই উত্তপ্ত পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করছে। পরিস্থিতি যাতে আরও খারাপ না হয়, সে জন্য সব ধরনের প্রচেষ্টা নেওয়া উচিত।”

ইরানের প্রতিনিধি গোলামহোসেইন দারজী যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে “শান্তিপ্রিয় বিক্ষোভকে ভূ-রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার” অভিযোগ এনেছেন।

জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের আমন্ত্রণে বক্তব্য রাখেন ইরানি-আমেরিকান সাংবাদিক মাসিহ আলিনেজাদ। তিনি বলেন, “সমস্ত ইরানিরা ধর্মীয় শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ। লক্ষ লক্ষ মানুষ রাস্তায় নেমেছিল তাদের অর্থ চুরি বন্ধ করার দাবি জানাতে, যা হামাস, হিজবুল্লাহ এবং হুথি যোদ্ধাদের জন্য পাঠানো হচ্ছে।”

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের আদালত সম্প্রতি আলিনেজাদকে হত্যার ষড়যন্ত্রে অভিযুক্ত দুই ব্যক্তিকে ২৫ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, এই ষড়যন্ত্রের পেছনে ইরানের হাত ছিল।

জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ বলেছেন, “যুক্তরাষ্ট্র সাহসী ইরানিদের পাশে দাঁড়িয়েছে। ইরানি শাসকগোষ্ঠী জনগণের ওপর যে দমন-পীড়ন চালাচ্ছে, তার প্রভাব আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্যও বিপজ্জনক।”