মস্কোয় নিযুক্ত একজন ব্রিটিশ কূটনীতিকের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ এনে তাঁকে বহিষ্কার করেছে রাশিয়া। তবে ক্রেমলিনের এই অভিযোগকে ‘সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ হিসেবে আখ্যায়িত করে তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে যুক্তরাজ্য। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান কূটনৈতিক টানাপোড়েন আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
লন্ডন থেকে পাওয়া তথ্যানুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাশিয়ার পক্ষ থেকে ওই ব্রিটিশ কূটনীতিককে বহিষ্কারের ঘোষণা দেওয়ার পরপরই কড়া প্রতিক্রিয়া জানায় যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর। এক বিবৃতিতে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ জানায়, নিজেদের স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে ব্রিটিশ কূটনীতিকদের বিরুদ্ধে এ ধরনের ভিত্তিহীন অভিযোগ আনা রাশিয়ার পুরনো কৌশল। মস্কোর এই পদক্ষেপকে ‘দুরভিসন্ধিমূলক’ বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর আরও জানিয়েছে, রাশিয়ার এই অযৌক্তিক আচরণের বিপরীতে লন্ডন কী ধরনের পাল্টা ব্যবস্থা গ্রহণ করবে, তা বর্তমানে গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইউক্রেন যুদ্ধসহ বিভিন্ন বৈশ্বিক ইস্যুতে দীর্ঘ সময় ধরে লন্ডন ও মস্কোর মধ্যে শীতল সম্পর্ক বিরাজ করছে। এমন পরিস্থিতিতে নতুন করে কূটনীতিক বহিষ্কার ও গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও জটিল করে তুলতে পারে। এই ঘটনার রেশ ধরে ভবিষ্যতে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে আরও বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
রিপোর্টারের নাম 






















